প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

হতাশা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের  আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে?

কামরুল হাসান মামুন : বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মাঝে আত্মহত্যার প্রবণতা দিনদিন ভয়াবহভাবে বাড়ছে। গত এক বছরে সম্ভবত ৭ জন ছাত্র আত্মহত্যা করেছে। পৃথিবীর অন্য যেকোনো দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ঘটলে তোলপাড় কা- ঘটে যেতো। কর্তৃপক্ষ প্রচ- সমালোচনার মুখে পড়তো এবং বিষয়টি নিয়ে সিরিয়াসলি কিছু একটি করতে চেষ্টা করতো। সমস্যা চিহ্নিত করতে মরিয়া হয়ে উঠতো।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার কারণে মনে হচ্ছে কারো যেন কোনো দায় নেই। সারা পৃথিবীতে ছাত্র-শিক্ষকের দেখা সাক্ষাতের একটি ন্যূনতম সময় বেঁধে দেওয়া আছে। কিন্তু শিক্ষকরা ওই বেঁধে দেওয়া নিয়মের বাইরেও সময় দেয়। কিন্তু আমাদের শিক্ষকরা কি ন্যূনতম সময়ও ছাত্রছাত্রীদের দেয়? দিবসের যেকোনো একটি সময়ে কোনো বিভাগে গেলে কতজন শিক্ষককে পাওয়া যায়? শিক্ষকরা ক্লাসে কতোটা মনোযোগী?

ছাত্রছাত্রীদের যারা হলে থাকে তাদের অবস্থা কি? তারা কি ওখানে ন্যূনতম আত্মসম্মান নিয়ে থাকতে পারে? আজ যদি এমন মানের পড়াশুনা হতো যেখানে ছাত্রছাত্রীরা পড়াশুনা করে আনন্দ পেতো। শিক্ষকরা যদি ছাত্রছাত্রীদের আরো বেশি করে বহমধমব করে রাখতে পারতো তাহলে হতাশা তাদের গ্রাস করার সুযোগই পেতো না। সারা পৃথিবীতেই বিশ্ববিদ্যালয়ে জোরালো কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা আছে। আমাদেরও আছে কিন্তু সেটা প্রায় অকার্যকর।

এতোগুলো ছাত্র আত্মহত্যা করল অথচ ছাত্রদের মাঝেও তেমন আলোড়ন করতে পারেনি। কোথাও কিছু একটা করার দাবি দেখছি না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুইএকটা পোস্ট শেয়ার করার মাধ্যমেই আমরা আমাদের দায়টি সেরে নিচ্ছি। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ