প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘রাজনীতিতে নিজেদের বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থেই বিএনপির জোটবদ্ধতা’

হ্যাপি আক্তার : একজন কারাগারে আর একজন নির্বাসনে, প্রধান দুই শীর্ষ নেতাকে ছাড়াই ভোটের ময়দানে বিএনপি। দলটি আবার জোটবদ্ধ নীতি-আদর্শের বিপরীত ধর্মীদের সাথে। কী অপেক্ষা করছে বেগম খালেদা জিয়া ও তাঁর ছেলে তারেক রহমানের ভাগ্যে? বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন ঘরোনার জোটবদ্ধতা রাজনীতিতে নিজেদের বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থেই করছে বিএনপি। আর নির্বাচনের ফলাফলই বলে দেবে দুই শীর্ষ নেতার ভাগ্য। সূত্র : চ্যানেল টোয়েন্টিফোর

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর, রাজনীতির মাঠ থেকে অনেকটাই হারিয়ে যান বিএনপির দুই শীর্ষ নেতা বেগম জিয়া ও তাঁর ছেলে তারেক রহমান। কানাঘুষা চলছিল নতুন রূপে যাচ্ছে বিএনপি।
নির্বাচনের মনোনয়ন দৌঁড় শুরু হতে না হতেই আবারও দৃশ্যপটে তারেক রহমান। ভিডিও কলে সাক্ষাতকার নেন মনোনয়ন প্রত্যাশীদের। ধারনা, দূর থেকে মূল কলকাঠি নাড়ছেন তারেকই। তাহলে ড. কামাল হোসেনরা কি পুনর্বাসন করছেন জিয়া পরিবারকে?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. এমাজউদ্দিন আহমদ বলেন, দলের মূল চাবিকাঠি এখনো বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের হাতেই। তিনি বলেন, প্রত্যেকটা পদক্ষেপেই তাদের সাথে যোগাযোগ করে মতামত নিয়েই সব কিছু তৈরি হয়েছে। ফলে তারা মুক্ত হয়ে এলে হঠাৎ কোনো কিছুর বিপ্লব হবার সম্ভাবনা নেই।

খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশ নেয়া না নেয়ার বিষয়টি এখনো আইনের সূতোয় বাঁধা। আর দণ্ডিত ও পলাতক হওয়ায় অংশ নেয়ার সুযোগ নেই তারেকের। ওই পরিবারের কেউই এখন পর্যন্ত অংশ নিবেন না ভোটের লড়াইয়ে।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার যেমন জনপ্রিয়তা আছে ঠিক তেমনি বেগম খালো জিয়ারও জনপ্রিয়তা আছে। বেগম জিয়া যদি নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারতেন তাহলে তারা ভালো ফলাফল পেতেন। আর সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, দণ্ডিত বেগম জিয়াকে ভোট না দিতে। তারও প্রভাব পড়তে পারে।
তাহলে রাজনীতিতে কী ভবিষ্যত অপেক্ষা করছে খালেদা জিয়া আর তারেকের জন্য? বিশ্লেষকরা বলছেন, বেশ কয়েক বছর থেকে রাজনীতিতে বেশ বেকায়দায় আছেন বিএনপির শীর্ষ দুই নেতা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ