প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘শিক্ষিত জনগোষ্ঠী এলাকায় ইভিএম ব্যবহার করলে ভালো ফল হবে’

জুয়েল খান : সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন,  নির্বাচনে তড়িঘড়ি করে ৬ টি আসনে ইভিএম ব্যবহারের ফলে কোনো সমস্যা হলে পুরো ইভিএম ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। শনিবার রাতে একাত্তর টেলিভিশনের এক আলোচনায় তিনি একথা বলেন।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ইভিএম আমাদের দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরো সহজ করতে পারে। ইভিএম দেশের নির্বাচনী ব্যয়কে অনেক কম এবং এটা খুবই সহজসাধ্য করা সম্ভভ। তিনি বলেন, ভারতের মতো দেশে ইভিএম পুরোপুরি চালু করতে দীর্ঘ ২৫ বছর সময় লেগেছে। ২০০৮-০৯ সালে বাংলাদেশে ইভিএম ব্যবহারের বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ব্যালট পেপারের মাধ্যমে একজন ভোটারের ভোট দিতে ৩৮ টি সামগ্রী লাগে। তবে ইভিএম ব্যবহারের ফলে এত সময় এবং প্রস্তুতির প্রয়োজন পড়বে না।

তিনি বলেন, ইভিএম ব্যবহার ২ টা মাত্রায় হবে, রাজনৈতিকভাবে এবং প্রযুক্তিগতভাবে। রাজনৈতিক নেতাদেরকে অবশ্যই এই বিষয়ের ওপর আস্থায় আনতে হবে। তাদের সদিচ্ছার কারেণই এটার প্রয়োগ সম্ভব। দ্বিতীয়ত প্রযুক্তিগতভাবে ইভিএম খুবই সহায়ক। কারণ এখানে জাল ভোটের কোনো সুযোগ নেই, এখানে আমার ভোট অন্য কেউ দিতে পারবে না। ইভিএম, এর ফিংগারপ্রিন্ট ম্যাচ না করলে ভোট দেয়া যাবে না। যার ভোট তাকেই দিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, ইভিএম ব্যবহারের এখন পর্যন্ত একটাই সীমাবদ্ধতা সেটা হলো প্রচারে দুর্বলতা, কারণ বড় পরিসরে কমিশন সকল দল, নির্বাচনী কর্মকর্তা এবং ভোটারদেরকে সেভাবে বোঝাতে পারেনি। সকল প্রযুক্তিরই অপব্যবহার করা সম্ভব। তবে ইভিএম আমাদের আরো আগে থেকেই ব্যবহার করা উচিত ছিলো। ভারতের মতো আমাদের দেশে পেপার ট্রায়েল চালু করা যেতে পারে। এবার ব্যাপক আকারে প্রচার প্রচারণা চালানো হয়নি, এতে ভোটার এবং রাজনৈতিক দলগুলো ইভিএম এর ওপর আস্থা রাখতে পারছে না। যে কোনো নতুন প্রযুক্তিই আমরা সহজেই বুঝতে পারি না তবে ব্যবহারের পরে কিন্তু ওই প্রযুক্তিই আমরা নিজেদের হাতের মুঠোয় নিয়ে আসি। ইভিএমও ঠিক এমন একটি বিষয় এটাকে ব্যবহার করার ফলে এর ওপর আস্থায় আসবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ