প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দোহার-নবাবগঞ্জের উন্নয়নে নৌকার বিকল্প নেই

ডেস্ক রিপোর্ট : আওয়ামী লীগ সভাপতির বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা, বিশিষ্ট শিল্পপতি বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান বলেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়ের দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ তৃণমূল পর্যায়ে ডিজিটালে রূপান্তরিত হয়েছে। আমরা আজ ঘরে বসে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে যোগাযোগ করতে পারছি। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেস, চট্টগ্রামে কর্ণফুলি নদীর নিচে ট্যানেল, পায়রাবন্দর নির্মাণের ফলে পাল্টে গেছে বাংলাদেশের চিত্র। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ বর্তমান সরকারের সবচেয়ে বড় অবদান। যেটা মানুষের স্বপ্ন ছিল এখন তা বাস্তব- এটা সম্ভব হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বের কারণে।

গতকাল বেলা ১১টা থেকে উপজেলার বাহ্রা ও বক্সনগর ইউনিয়নে কেন্দ্রভিত্তিক আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের তৃণমূলের নেতাকর্মী ও ভোটারদের সঙ্গে উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, দোহারে ৩শ’ ৫০ একর জমির উপর ‘অর্থনীতি অঞ্চল’ পাস হয়েছে, আমরা চাই নবাবগঞ্জে ৭/৮’শ একর জমির উপর ‘অর্থনীতি অঞ্চল’ করতে। এর ফলে দোহার-নবাবগঞ্জের বেকার সমস্যার সমাধান হবে। বর্তমান সরকার দোহার-নবাবগঞ্জে শতভাগ বিদ্যুতায়িত করেছে। ঘরে ঘরে আজ বিদ্যুৎ পৌঁছেছে। তাই জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পুনরায় রাষ্ট্রনায়ক করতে হলে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী নির্বাচনে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, পদ্মাসেতু নির্মাণের ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পাশাপাশি কেরানীগঞ্জ, দোহার, নবাবগঞ্জ, শ্রীনগরে ব্যাপক উন্নয়ন হবে, পাল্টে যাবে এই অঞ্চলের চিত্র। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কার বিকল্প নাই।

প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সমগ্র বাংলাদেশে ব্যাপক উন্নয়ন করে যাচ্ছেন। দোহার- নবাবগঞ্জে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন হচ্ছে।

সলমান এফ রহমান সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ভোটারদের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান। বলেন, দোহার-নবাবগঞ্জ রক্ষাবাঁধ, পদ্মা ভাঙন রোধ প্রকল্প, যাতায়াত ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, বাজার উন্নয়ন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত আছে। কোনো ষড়যন্ত্রই দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। দোহার রক্ষাবাঁধ নির্মাণে প্রায় ১৫শ’ কোটি টাকা একনেকে পাসের মধ্য দিয়ে দোহার-নবাবগঞ্জের উন্নয়নের এক নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। কেরানীগঞ্জের জিনজিরা থেকে নবাবগঞ্জ, দোহার হয়ে শ্রীনগর পর্যন্ত ২ লেনের প্রায় ৫শ’ কোটি টাকার রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া দোহার-নবাবগঞ্জের ব্রিজ, কালভার্ট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণে শত কোটি টাকার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। সুতরাং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। তিনি বলেন, দোহার-নবাবগঞ্জ রক্ষাবাঁধ নির্মাণে ২১৭ কোটি টাকার কাজ চলছে। এলাকার উন্নয়নে বর্তমান সরকার ব্যাপক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় তিনি উন্নয়নে এলাকার জনগণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি আরো বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা-১) থেকে আমি নির্বাচন করবো। আপনারা আমাকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করে প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনাকে এ আসনটি উপহার দেবেন। নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করলে দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলাকে একটি আধুনিক মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান, আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া, দোহার উপজেলার চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান ভূঁইয়া কিসমত, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন জালাল, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহ-সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম মোস্তফা শিমু, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য দেওয়ান আওলাদ হোসেন, বক্সনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াদুদ প্রমুখ।
সূত্র ; মানবজমিন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ