প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ফ্যাক্টর এরশাদ

ডেস্ক রিপোর্ট : সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৩ আসনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ফ্যাক্টর। রংপুর সদরে পল্লীতে এরশাদের এখনও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তার ধারের কাছে যাওয়ার মতো কোনো প্রার্থী এখনো সৃষ্টি হয়নি। জাপা চেয়ারম্যান এরশাদ যত দিন বাঁচবেন তত দিন এ আসনে প্রার্থী হয়ে বিজয়ী হবেন। নেতাকর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে রংপুরবাসীকে নিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার করতে চাই আমরা। এমন মন্তব্য করলেন জাতীয় পার্টির মহানগর সভাপতি সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। গত রোববার বিকালে এরশাদের পক্ষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক এনামুল হাবীবের কাছে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন জাতীয় পার্টির রংপুর মহানগর সভাপতি সিটি মেয়র মোস্তফা।

তফসিল ঘোষণার পর থেকে রংপুরে জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন, জাকের পার্টি, খেলাফতে মজলিস, স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন।

নির্বাচনকে ঘিরে ১১ জন ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে কাজ করছেন। নির্বাচনী প্রচারণার বিল বোর্ড, পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন অপসারণের জন্য সময় বেঁধে দিয়েছে প্রশাসন। প্রার্থীরা সময়মতো তাদের প্রচারণা সরঞ্জাম না সরালে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানানো হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ১০ বছর ধরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেও রংপুরে নেতাকর্মীরা খুব একটা ভালো অবস্থান তৈরি করতে পারেনি। খোদ দলীয় তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, নেতারা চাইলেই রংপুর সদরে আওয়ামী লীগের অবস্থা ভালো করতে পারতো। কিন্তু তা না করে তারা নিজেদের আখের গোছানো নিয়ে ব্যস্ত। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের জেলা সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আগের চেয়ে রংপুরে আওয়ামী লীগ অনেক সুসংগঠিত। উল্লেখ্য, ১৯৯১ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত রংপুর সদর-৩ আসন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দখলে। বিগত আমলে রংপুরের উন্নয়নে বিএনপি তেমন ভূমিকা না রাখায় তার রাজনৈতিক অবস্থান অনেকটা দুর্বল। সম্প্রতি সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রংপুরের উন্নয়ন হলেও ব্যক্তি এরশাদের ইমেজ চাঙ্গাই রয়েছে।

ইসলামী আন্দোলন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল
রংপুর সদর-৩ আসনে নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রংপুর মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুজ্জামান পিয়াল। গতকাল শনিবার দুপুরে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কামরুল ইসলামের কাছে রংপুর জেলা ও মহানগরের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর সভাপতি আব্দুর রহমান কাশেমী, জেলা সভাপতি এটিএম গোলাম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রশিদ, যুব আন্দোলনের মহানগর সভাপতি ও মিডিয়া সমন্বয়ক মাওলানা এরশাদুল হক, ছাত্র আন্দোলনের মহানগর সভাপতি হাবিবুর রহমান, শ্রমিক আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান প্রমুখ।

এরপর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রংপুর মহানগরের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান ফারুকী সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন কমিশনে ১০ দফা দাবি পেশ করা হয়েছিল। কিন্তু কমিশন একটি দাবিও বাস্তবায়ন করেনি। নির্বাচনে সব দলের ক্ষেত্রে সমতল ভূমি তৈরিতে ব্যর্থ হলে ইসির পরিণাম ভালো হবে না। এসময় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির মাধ্যমে সব দলকে সমান সুযোগ করে দিকে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সহকারী রিটার্নিং অফিসার কামরুল ইসলাম জানান, রংপুর-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ছাড়া আর কেউ বা জোটের পক্ষে কারো মনোনয়নপত্র জমা পড়েনি।
সূত্র : মানবজমিন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ