Skip to main content

বন্যপ্রাণী শিকারীকে আটকের পর রহস্যজনক ছাড়!

সোহেল রানা, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় বন্যপ্রাণীর ফাঁদসহ আব্দুল মালেক (৫০) নামের এক শিকারীকে আটক করে বনবিভাগ। এ সময় ইলেকট্রিক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি শুক্রবার (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭ টায় মাধবপুর ইউনিয়নের টিলাগাঁও গ্রাম ঘটে। এদিকে রাতেই বন বিভাগ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আটকৃতদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া বনাঞ্জলের আশ পাশের গ্রামগুলোতে কতিপয় অসাধু ব্যক্তিরা বনের বাহিরে আসা বন্য প্রাণী মায়া হরিণ, বন মুরগসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীদের প্রতিনিয়তই জমিতে ইলেকট্রিক তার ব্যবহার করে শিকার করে থাকে। শুক্রবার টিলাগাঁও গ্রামের প্রাণী শিকারী আব্দুল মালেক (৫০) তার ফসলি জমি রক্ষা করার বাহানায় ইলেক্টিক ফাঁদ পেতে রাখেন। রাতে এক পথচারী দেখতে পেয়ে বন বিভাগ বন্য প্রানী সংরক্ষন বিভাগকে খবর দিলে বন বিভাগের প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষণ কর্মকর্তা আনিসুর রহমান ঘটনাস্থলে এসে আব্দুল মালেক (৫০)-সহ ইলেক্টনিক সরঞ্জামসহ ফাঁদ উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল বনবিভাগ অফিসে নিয়ে যান। এদিকে এলাকার প্রভাবশালীদের সহযোগীতায় রাতেই আটক শিকারী আব্দুল মালেককে মোটা অংকের টাকার বিনিমিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী ছেড়ে দেওয়ার খবর শুনে ক্ষুব্ধ হন। তারা বলেন, বনবিভাগ এভাবে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ায় শিকারীদের সাহস বেড়ে যাবে।এখন তারা আরো বেশি করে ফাঁদ পেতে বন্যপ্রাণী মারবে যাতে করে সংরক্ষিত লউয়াছড়া থেকে বিলুপ্ত হয়ে পরবে বন্যপ্রাণী। বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষণ কর্মকর্তা আনিসুর রহমান এর সাথে সাংবাদিকরা ছেড়ে দেওয়ার বিষয় কথা বলতেই, কিছুটা উত্তেজিত হয়ে উঠেন। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য নয়। এব্যাপারে প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগী বন সংরক্ষণ সামসুল মোহিত চৌধুরী বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানান।

অন্যান্য সংবাদ