প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পণ্য প্রস্তুকারিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দিতে হবে অর্থ

আদম মালেক : যেসব পণ্য ব্যবহারের পর ফেলে দিতে হয় এমন পণ্য প্রস্তুতকারিদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষকে আর্থিক সহায়তা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের স্বীকৃতির বিধান রেখে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ‘কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০১৮’ এর খসড়া প্রণয়ন করতে যাচ্ছে।

কেউ বিধিমালা লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। একই অপরাধ ফের করলে প্রতিবার সর্বোচ্চ চার হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে হবে।

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশের জন্য কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি গুরুতর সমস্যা। দ্রুত নগরায়ন, বিক্ষিপ্ত শিল্পায়ন, বিপুল জনসংখ্যা ইত্যাদি কারণে আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের কঠিন বর্জ্যরে বিপুল অংশ উন্মুক্ত জায়গায়, রাস্তার দু’পাশে বা নদী-নালায় নিক্ষিপ্ত হচ্ছে। ফলে শহরের নিম্নাঞ্চল, জলাভূমি, এমনকী শহরে পয়ঃপ্রণালী ব্যবস্থা অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতির সম্মুখীন। এ প্রক্রিয়ায় ঢাকা মহানগরীকে বেষ্টিত করে প্রবাহমান চারটি নদীর জনপ্রবাহ মারাত্মক দূষণের শিকার।

বাংলাদেশে কঠিন বর্জের গঠন প্রকৃতি পর্যালোচনায় দেখা যায়, বজ্যের মধ্যে রয়েছে খাদ্য এবং শাকসবজি, কাগজ দ্রব্যাদি, প্লস্টিক, লেদার, রাবার, মেটাল, গ্লাস ও সিরামিক, কাঠ/খড়/পাতা, মেডিসিন/কেমিক্যাল, পাথর, ধুলি বিবিধ।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা প্রণয়নের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। তবে পরে যোগাযোগ করলে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানাতে পারব।’

জৈবিকভাবে অপচনশীল পণ্যের ব্র্যান্ড মালিকরা তাদের পণ্যের মাধ্যমে সৃষ্ট প্যাকেজিং (মোড়ক/বোতল/ক্যান ইত্যাদি) বর্জ্য গ্রাহক পর্যায় থেকে সংগ্রহ করে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পুনঃচক্রায়নসহ ডিসপোজেবলের সুষ্ঠু ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ