প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে ফ্রেন্ডশিপ স্কুল

অনলাইন ডেস্ক : সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে ২০১২ সালে টাঙ্গাইল শহরের এর আদি টাংগাইলে ফ্রেন্ডশিপ স্কুলের যাত্রা শুরু হয়। ২৯ জন হত – দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে খুজে বের করে এ স্কুলে ভর্তি করানো হয়। উদ্দ্যোক্তা এ সময়ের তরুণ ও জনপ্রিয় সাংবাদিক ও উপস্হাপক মো. জুয়েল আহমেদ। যখন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে এই স্কুল শুরু করেন তিনি তখন বয়সে আরো তরুণ ছিলেন। এই সময়ের তরুণ ও জনপ্রিয় সাংবাদিক জুয়েল আহমেদ ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতেন যে, সমাজের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও মানুষদের জন্য কিছু করতে হবে৷ শুরুর দিকে এই শিশুদেরকে পাঠদানের জন্য ৩ জন শিক্ষক নিয়োগ প্রদান করা হয়।

হাটি হাটি পা পা করে বর্তমানে ফ্রেন্ডশিপ স্কুলের ৪ টি শাখায় প্রায় ৫ শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশু শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে। স্বপ্নবাজ মেধাবী তরুণ এই সাংবাদিক জুয়েল সাংবাদিকতা ছাড়াও গবেষণামূলক কাজ ও কনসালটেন্সি করে যত সম্মানী পান তার সিংহভাগই এই স্কুলে দিয়ে থাকেন যা থেকেই এই স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের সম্মানী প্রদান করা হয়ে থাকে। এছাড়াও অল্প কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী ক্ষুদ্র পরিসরে স্কুলের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

স্বপ্নবাজ মেধাবী তরুণ এই সাংবাদিক জুয়েল আহমেদ স্বপ্ন দেখেন যে, এক সময় সমগ্র বাংলাদেশেই ফ্রেন্ডশিপ স্কুল এর কার্যক্রম ছড়িয়ে যাবে যার মাধ্যমে বাংলাদেশে কোন শিশুই নিরক্ষর থাকবে না।স্বপ্ন দেখা সহজ তবে বাস্তব করা অনেক কঠিন। সেই কঠিন কাজটিই সাহসী এই তরুণ জুয়েল বাস্তবে রুপদান করছে। আমাদের যার যা আছে তাই নিয়ে যদি সাহসী এই উদ্দ্যোগের পাশে আমরা দাড়াই এটা নিশ্চিত এই তরুণ যেহেতু একাই এতদূর আসতে সক্ষম হয়েছে, সম্মিলিতভাবে এই উদ্দ্যোগ সমগ্র বাংলাদেশে বাস্তবায়ন করা সময়ের ব্যাপার মাত্র।

এই বয়সে সবাই নিজস্ব চিন্তা ভাবনা নিয়ে ব্যাস্ত সময় পার করে আর এই তরুণ সব সুখের কথা বাদ দিয়ে সমাজ ও দেশকে আলোকিত করার ভাবনায় ও কাজে মগ্ন আছে। তার বয়স ২৫ এর কোঠায়। কল্পনারও বাইরে কিভাবে তিনি এত অল্প বয়সে এতগুলো শিশুর পড়াশুনার দায়িত্ব নিয়েছেন। ৫০০ হত দরিদ্র, এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে তিনি এই স্কুলের মাধ্যমে শিক্ষা দিচ্ছেন। এই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি কে সাংগঠনিক রূপ দিতে তিনি সমমনা কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী কে নিয়ে হিউম্যানিটি ফর পিপলস নামে একটি শিক্ষা ও সেবামূলক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছেন। এত অল্প বয়সের তরুণ এ ধরনের শান্তিপূর্ণ কাজ করছে যা সত্যিই বিস্ময়কর। বিশ্ব শান্তি স্থাপনে এই তরুণের এমন উদ্যোগকে একটি রোল মডেল হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত