প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রত্যাশিত আসন পেতে শেষ মুহুর্তে জাপার দরকষাকষি

মো.ইউসুফ আলী বাচ্চু : একাদশ সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের অন্যতম শরিক জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের কাছে ৭০ টি আসন চেয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ বড় শরিক হিসেবে ৪০টির বেশি আসন ছাড় দিতে রাজি হয়েছে। এতে জাপার প্রত্যাশীত আসন না পাওয়ায় অনেক নেতাদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। যদিও মহাজোটের আসন ভাগাভাগির শেষ মুহুর্তেও হাল ছাড়তে রাজি নয় জাপা। ফলে জাপা তার প্রত্যাশীত আসন পেতে শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত দরকষাকষি চালিয়ে যাবে। এ তথ্য সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে।

সূত্রে জানায়, জাতীয় পার্টিকে ৩০ ও সম্মিলিত জোটকে ১০টি আসনের মধ্যেই সিমাবদ্ধ থাকতে হচ্ছে। এরমধ্যে রংপুরে-১০, ঢাকায়-৪, ময়মিনসিংহ-৩, বরিশালে-২, চট্টগ্রামে-২, ফেনীতে-১, সিলেটে-২, কুমিল্লায়-১, ব্রাহ্মনবাড়িয়া-২, নারায়নগঞ্জে-২টি আসন। তবে শেষ পর্যন্ত আরও ৫ টির জন্য দরকষাকষি করবে দলটি। এছাড়া এরশাদের সম্মিলিত জোটের জন্য ৫-১০ টি আসনের জন্য দরকষাকষি চলছে।

সূত্রে জানা গেছে, দরকষাকষিতে যেন কোনো পক্ষেরই সম্পর্ক নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখছেন জাপার চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। এতে করে উভয় পক্ষই অবিশ্বাস করছে এরশাদকে। যার কারণে কৌশলে এগুচ্ছে দুই পক্ষই। এ পরিস্থিতিতে দলের নেতারা হতাশার মধ্যে রয়েছেন। কারণ জাপার নেতারা লাঙল প্রতীকে নির্বাচনে লড়ায়ের সুযোগ পাচ্ছেন না।

জাপার শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা মনে করেন, পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে এরশাদের এটাই শেষ নির্বাচন। আমরা তাকে সংসদে ভালো অবস্থানে আনার জন্য তৃণমূলকে প্রস্তুত রেখেছি। কিন্তু এখন যে অবস্থা, তাতে গ্রামে গিয়ে আমরা মুখ দেখাতে পারব না।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের এক নেতা বলেন, জাতীয় পার্টি আমাদের দীর্ঘ দিনের মিত্র। কিন্তু তারা যতগুলো আসন দাবি করেছে, তাদের এমপি হওয়ার মতো যোগ্য নেতা নেই। এবারের নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। তাই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় থাকাতে হবে। ফলে তাদের প্রত্যাশীত আসন ছেড়ে দেওয়ার কোনো মানে নেই।

এ সম্পর্কে জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, দলের পক্ষ থেকে মহাজোটের সঙ্গেই নির্বাচন করতে চাই। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমাদের কয়টি আসন দেওয়া হবে, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসেনি। তবে ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত প্রত্যাশীত আসন পেতে দরকষাকষি চালিয়ে যাব।

সম্পাদনা: সমীরণ রায়

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ