প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিএনপি মাছ খায় না, মাছের ঝোল খায় : নুরজাহান বেগম মুক্তা

মো: মারুফুল আলম: এডভোকেট নুরজাহান বেগম মুক্তা বলেছেন, বিএনপির মজ্জাগত অভ্যাস যে, নেতিবাচক কিছু বলতেই হবে। বিএনপি মাছ খায় না, মাছের ঝোল খায়। অসংখ্য মানুষকে পুড়িয়ে মেরে, পঙ্গু করে অবশেষে উনারা নির্বাচনে আসলেন। তাও হাঁটুভাঙ্গা অবস্থায়। একহাতে রেখেছে ২০ দলীয় জোট। অপর হাতে রেখেছে নবগঠিত ঐক্যফ্রন্ট। শুক্রবার একাত্তুর জার্নালে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচন কমিশনকে বলছে নখদন্তহীন। নখদন্তহীন বলার আগে নিজেদের মাথাটা আছে কি না একবার দেখা দরকার। আপনারা যে দল করেন সে দলের পরিচয় এখন নাই। বিএনপি নামক দলটি এখন যাদুঘরে যাওয়ার প্রাথমিক পর্যায় শুরু হয়েছে। একটুখানি আশ্রয়ের আশায় তারা ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিয়েছে। অনেক জলঘোলা করে নির্বাচনে এসেছে। জনগণই দেখা যাবে কাদেরকে জয়ী করে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি একদিকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের ব্যাপারে জলঘোলা করার চেষ্টা করছে। অথচ বর্তমান নির্বাচন কমিশন কিন্তু রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সার্চ কমিটির মাধ্যমে করা হয়েছে। রিটার্নিং অফিসারদের ব্যাপারে তারা দোষ খুঁজছে, কেন তারা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গেলো। রিটার্র্নিং অফিসাররা হচ্ছেন জেলা প্রশাসক। নিজ নিজ জেলার সমন্বয়কারী হিসেবে তারা কাজ করেন। তারা দাপ্তরিক কাজে যেতেও পারেন, অথবা তাদের সহকর্মীও থাকতে পারে, তবে আমি জানি না তারা আদৌ গেছে কি না।

নুরজাহান বেগম বলেন, তারা ভোটকেন্দ্র নিয়ন্ত্রনের কথা বলে নির্বাচনকে সহিংসতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কিছুদিনে আগে তারা বলেছে, প্রয়োজনে এক কেন্দ্রে তারা ৩০০-৫০০ লোক রাখবে। বিএনপি রাখলে আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টিও রাখলে, জাসদ বা আরও যারা আছে সবাই রাখলে কী পরিস্থিতি হবে সেটা কি আমরা ভেবে দেখেছি? এটা এজন্য বললাম, বিএনপির সেই সন্ত্রাসী মনোভাব কিন্তু যায়নি এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করাটাই তাদের উদ্দেশ্য।

নুরজাহান আরও বলেন, মওদুদ সাহেব হাস্যকর কথা বলেছেন, আওয়ামী লীগ নাকি নির্বাচন থেকে সরে যাবে। আওয়ামী লীগ কখনও নির্বাচন থেকে সরে যায়নি, বরং বিএনপি নির্বাচন থেকে সরে গেছে। মাঝপথে রণভঙ্গ করেছে। তারা বলেছে, ইসি নাকি ২০% নিরপেক্ষ এখনও হতে পারেনি। আমরাও ইসির কাছে অভিযোগ করেছিলাম যে, তারেক জিয়া একজন দন্ডপ্রাপ্ত আসামি হওয়ার পরও কিভাবে নির্বাচন কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করে। তখন ইসি আমাদের অভিযোগও আমলে নেননি। আমরাতো কিছু বলিনি। এসমস্ত কথা চাইলে বহু বলা যায়।
বিএনপি ২০১৪ সালের আগে পরে সহিংস ঘটনা ঘটিয়েছে। ২০০১ সালেও তারা মানুষ পুড়িয়েছে, নারীদের ধর্ষণ করেছে। তারা যে, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এর দাবি করা হয়েছে এবং মেনেও নেওয়া হয়েছে। এবারও তারা সহিংস ঘটনা ঘটাবেন কি না সেটাই দেখার বিষয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত