প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইভিএম ই-ভোটিং এক বিষয় নয়, জটিলতা না বাড়লেই ভালো : সাখাওয়াত হোসেন

মো: মারুফুল আলম : সাবেক নির্বাচন কমিশনার ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ইভিএম এর ব্যবহার সীমিত রাখলেও যেসব জায়গায় ইভিএম ব্যবহার হবে ওখানে ব্যাপক প্রচারের প্রয়োজন আছে। অনেকে এটাকে ই-ভোটিং মনে করেন, কিন্তু ই-ভোটিং হচ্ছে আলাদা বিষয়। আর এটা নিয়ে সন্দেহ আছে। সন্দেহ রাজনীতিবিদদেরই সৃষ্টি। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ চলছে। এই জটিলতা আপাতত না বাড়ালে ভালো হবে। শুক্রবার একাত্তর জার্নাল এ ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, অনেকে এটাকে ই-ভোটিং মনে করেন, কিন্তু ই-ভোটিং হচ্ছে আলাদা বিষয়। সেন্ট্রাল সারভার এর সঙ্গে সংযুক্ত। ইভিএম এ কোন সারভার নেই। তারপরও এটাকে কেউ করাপট করতে চাইলে করাপ্ট করতে পারবে। আসলে আপনি চাইলে যে কোন মেশিনকেই করাপ্ট করতে পারবেন। অনেকে আমেরিকার উদাহরণ দেয়। আমেরিকায় কিন্তু ভোটিং হয় ম্যানুয়ালী। কাউন্টিং নিয়েই ওখানে বিতর্ক হয়।

তিনি আরও বলেন, ইভিএম আমাদের খুব প্রিয় বিষয় ছিলো। গত পাঁচ বছরে কাজ হয়নি বলে গ্যাপ পড়ে গেছে। আমি প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, মেশিনটি প্রযুক্তিগত অনেক উন্নত হলেও এখানে একজন ভোটারের ফিঙ্গার প্রিন্ট ম্যাচ করতে সময় লাগে। যে সকল স্থানে ব্যবহার করা হবে ওখানকার মানুষগুলোকে ইভিএম পরিচয় করানো দরকার। কুমিল্লায় ইভিএম ব্যবহারের আগে ওখানকার মানুষের জন্য আমাদের সময়ে আমরা চারদিন ট্রেনিং উন্মুক্ত রেখেছিলাম।

তাই প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে মিটিং-এ বলেছিলাম আগে নিশ্চিত করুন কোথায় ব্যবহার করবেন। ভোটিং টাইম বাড়াতে হবে। সকাল আট টা থেকে রাত আট টা পর্যন্ত সময়ও লাগতে পারে। সেটা তিনি এগ্রি করলেন যে, ‘হ্যাঁ টাইম বাড়াতে পারি’।  সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সেনাবাহিনীর লোকদের ট্রেনিং দিয়ে ইভিএম পরিচালনা করা হলে বিতর্ক বাড়বে। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর কাজ কিন্তু ওটা নয় যে, বুথ ম্যানেজ করা বা সেন্টারের ভেতর গিয়ে কাজ করা, তবে আমি জানি না যে, সেনাবাহিনীতে কিভাবে ব্যবহার করা হবে।
তারপরও এটা ব্যবহার করা ভাল হবে কি না সেটা ডিপেন্ড করবে ইলেকশন কমিশনের উপর মানুষের কতখানি ফেইথ আছে, যারা নির্বাচনী কাজে অংশ নিচ্ছেন তাদের কতখানি ফেইথ আছে বা পলিটিক্যাল পার্টিগুলোর কতখানি ফেইথ আছে তার ্উপর। তাছাড়া লোকাল নির্বাচন আর ন্যাশনাল ইলেকশনের মধ্যে বিশাল তফাৎ আছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ