প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইসিতে ১৪ দলের চিঠি
‘নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট’

আহমেদ জাফর ও সাইদ রিপন: সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া বলেছেন, বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা বিতাড়িত হওয়ার ভয়ে নির্বাচন বানচাল করার জন্য মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন অভিযোগ করে যাচ্ছে।

দিলীপ বড়ুয়ার নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সাথে সাক্ষাৎ করে এই অভিযোগ জানান। প্রায় দেড় ঘণ্টা নির্বাচন কশিমনার রফিকুল ইসলাম ও ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সঙ্গে বৈঠকে করেন।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে বেশ কিছু অসত্য, মনগড়া, বেআইনী, প্রথাবিরোধী ও অযোক্তিক অভিযোগ করা হচ্ছে। যা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠানের অন্তরায়। কেন্দ্রীয় ১৪ দলের পক্ষ থেকে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের উদ্দেশ্য প্রণোদিত কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইসিকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়াসহ ৮ দফা দাবি জানিয়েছে দলটি।

তিনি বলেন, তারেক রহমান একজন পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামি হয়ে কখনই নির্বাচন কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন না। এছাড়া বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও বানচাল করার জন্য প্রতিনিয়তই মিথ্যা বলে যাচ্ছে, সুস্থ সুশৃঙ্খল পরিবেশকে তারা প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে।

১৪ দল প্রশাসনের বদলি চায় কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন আমরা প্রশাসনের বদলি ব্যাপারে দেখেশুনে যাচাই করতে বলবো। তাছাড়া এটি সম্পূর্ণ নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া বিএনপির কথামতো যেন এ ধরনের রদবদল করা না হয়।

সংবাদিকদের দিলীপ বড়ুয়া বলেন, এক ঢিলে দুই পাখি শিকারের চেষ্টা করছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। তারা একদিকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, আবার প্রতিদিন নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে মনগড়া ও বানোয়াট অভিযোগ করে সংশ্লিষ্টদের মনোবল ভেঙে দেয়ার অপচেষ্টা করছে। তারা যাতে নিরপেক্ষভাবে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন করতে না পারে। বিএনপি প্রতিনিয়ত নির্বাচনী আইন ও আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বক্তব্য রাখছে অথচ ঐক্যফ্রন্টের চেয়ারম্যান ড. কামাল হোসেন একজন আইনজ্ঞ হয়েও এ বিষয়ে কিছুই বলছেন না। বিএনপি যে দাবিগুলো উত্থাপন করছে সেগুলো উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়।

তিনি বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ অস্থিতিশীল করে তারা তাদের গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায়। নির্বাচনের পরে যাতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর কোন ধরনের নির্যাতন না হয় এবং নির্বাচনে তারা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে তা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত