প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

লালমনিরহাটে পুলিশের বিরুদ্ধে বসতবাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি : লালমনিরহাটের কালিগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে বসতবাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ তুলেছেন খায়রুল বাশার নামে এক ব্যবসায়ী। তবে ওই অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনের দাবি করেন, ২ পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে সংঘর্ষ হচ্ছে এমন খবরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে মাত্র।

কালিগঞ্জ উপজেলার উত্তর মুশরত মদাতী গ্রামের মৃত শমসের আলীর পুত্র বস্তা ব্যবসায়ী খায়রুল বাশার বলেন, শুক্রবার দুপুরে তার বসতবাড়িতে হামলা চালায় ওই এলাকার মকবুল হোসেনের পুত্র আখিরুজ্জামান নালু ও তার লোকজন। ঘটনার সাথে সাথেই কালিগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আনোয়ার হোসেনসহ একদল পুলিশ উপস্থিত হয়। এ সময় পুলিশ ও নালুর লোকজন তার বসতবাড়ি ভাংচুর করে এবং নালুর লোকজন আমার ৭ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

এ সময় তারা আমার স্ত্রী হাসনা খাতুনকে মারধর করে। আমি এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে আমাকে মাদক দিয়ে জেল হাজতে প্রেরনের হুমকিও দেয় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা। খায়রুল বাশারের স্ত্রী হাসনা খাতুন বলেন, হঠাৎ করে পুলিশ ও নালুর লোকজন আমাকে মারধর করে বসতবাড়ি ভেঙ্গে দিয়ে যায়।

তবে আখিরুজ্জামান নালু ভাংচুরের অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, আমার ক্রয়কৃত জমি চাষাবাদ করতে গেলে খায়রুল বাশারের লোকজন বাঁধা দেয়। তার বসতবাড়ি ভাংচুর করা হয়নি।

কালিগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, ব্যবসায়ী খায়রুল বাশার পুলিশের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলেছেন তা মিথ্যা। কিছুদিন আগে খায়রুল বাশার ও আখিরুজ্জামান নালুর মধ্যে জমি নিয়ে দ্বন্দ স্থানীয়ভাবে মিমাংশা করে দেয় উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহম্মেদ। ওই মিমাংশায় ২৫ হাজার টাকার বিনিময় খায়রুল বাশার নিজেই তার বসতবাড়ি সড়িয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত দেয়। এ নিয়ে শুক্রবার উভয় পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষের সূত্রপাত হলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেছে মাত্র।

কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মকবুল হোসেন জানান, খায়রুল বাশার দৃষ্ট প্রকৃতির লোক। তার বিরুদ্ধে আরও মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত