প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ফেড কাপের শিরোপা জয়ের হ্যাটট্রিক আবাহনীর

আক্তারুজ্জামান : সব ভালো যার, শেষ ভালো। এই কথাটা উপলব্ধি করতে পারছে বাংলাদেশের ফুটবলে নতুনভাবে নাম লেখানো বসুন্ধরা কিংস। নবাগত দল হিসেবে আসরের শুরু থেকে আলো ছড়ালেও ভালো আখ্যা নিদে পারেনি আবাহনীর কারণে। ফেডারেশন কাপের ফাইনালে এগিয়ে গিয়েও আবাহনীর কাছে হেরে শিরোপার স্বপ্নভঙ্গ হয় বসুন্ধরার। আর শিরোপা জয় করে রেকর্ডবুকে নাম লিখিয়েছে ঢাকা আবাহনী।

শুক্রবার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ফেড কাপের ফাইনালে বসুন্ধরার বিরুদ্ধে সানডে চিজোবা ও কেরভেন্স ফিলস বেলফোর্টের গোলে ৩-১ ব্যবধানে জিতে শিরোপা উল্লাসে মেতে ওঠে। এ নিয়ে ফেডারেশন কাপে টানা তৃতীয় এবং সব মিলিয়ে একাদশ শিরোপা জিতল আবাহনী। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে (১০টি) পেছনে ফেলে এককভাবে সবচেয়ে বেশিবারের চ্যাম্পিয়ন এখন ধানম-ির দলটি।
শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের শেষের দিকে কিছু বিতর্কিত ঘটনায় মাঠে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ম্যাচের ২১ মিনিটে রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলা কোস্টারিকার কলিন্দ্রেস গোল করে বসুন্ধরাকে এগিয়ে নেন। ১-০ গোলে প্রথমার্ধের খেলা শেষ করে দু’দল।

এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৫০ মিনিটে বাঁ দিক থেকে রায়হানের থ্রো ইনের পর দূরের পোস্টে থাকা চিজোবা নিখুঁত টোকায় জাল খুঁজে নেন। প্রতিযোগিতায় এটি তার পঞ্চম গোলে সমতায় ফিরে আবাহনী। চিজোবা-রানার মিলিত প্রচেষ্টায় ৭৮ মিনিটে আবাহনীকে এগিয়ে নেন চিজোবা। এ গোলেই ফেডারেশন কাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন নাইজেরিয়ার এই ফরোয়ার্ড। দুই মিনিট পর ওয়ালীর কর্নারে বেলফোর্টের হেডে বল জাল খুঁজে নিলে আবাহনীর জয় নিশ্চিত হয়ে যায়।

শেষ দিকে আক্রমণে ওঠা চিজোবাকে নাসিরউদ্দিন কনুই দিয়ে গুঁতো মারলে উত্তেজনা ছড়ায় দুই পক্ষের মধ্যে। চোট পেয়ে চিজোবা মাঠ ছাড়েন। এরপর খেলা শুরু হতে না হতেই ফের মারমুখী দুই পক্ষ। এক পর্যায়ে সুশান্ত ত্রিপুরাকে জীবন হাত দিয়ে আঘাত করার পর ত্রিপুরা লাথি মেরে বসেন। এরপরই দৌড়ে এসে সুশান্তকে পেছন থেকে পিঠে লাথি মারেন মামুন মিয়া। এরপর মামুনকে লাথি মারেন সবুজ। চার জনকেই লালকার্ড দিয়ে বের করে দেন রেফারি। তবে খেলার পর ম্যাচের ঐ ঘটনায় মন না দিয়ে শিরোপা নিয়েই উৎসবে মেতেছিল আবাহনী।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ