প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সরকার অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করছে: মাহবুব উদ্দিন খোকন

শিমুল মাহমুদ: সরকার অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করছে বলে মন্তব্য করেছেন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। শুক্রবার (২৩ নভেম্বর) সকালে ধানমন্ডিস্থ চেম্বারে তিনি এসব কথা বলেন। ব্যারিস্টার মাহবুব বলেন, সংবাদ সম্মেলন করে অ্যাটর্নি জেনারেল বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে নাইকো মামলার বিষয়ে যে রিপোর্ট দেশবাসীর কাছে তুলে ধরেছেন, আমরা এই রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করছি, এই রিপোর্ট আইন সম্পন্ন নয়।

নাইকো গ্যাস ফিল্ড চালু থাকা অবস্থায় বন্ধ দেখিয়ে ফার্ম আনা হয়েছে কানাডা থেকে অ্যাটর্নি জেনারেল এই অভিযোগ প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বেগম খালেদা জিয়ার সাথে তা হয়নি। ১৯৯৭ সালে যখন শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যদি গ্যাস ফিল্ড চালু থাকা অবস্থায় বন্ধ দেখিয়ে ফার্ম আনা হয়, তাহলে এর জন্য দায় দায়িত্ব উনাদেরই। কারণ ওদের কার্যক্রম শেষ হয়ে গেছে। খসড়া প্রস্তুত হয়ে গেছে, সরকার পরিবর্তন হয়ে গেছে, রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তারা উপস্থাপন করেছে, সেটি একটিভ করা করা হয়েছে।

তাছাড়া এই অভিযোগ সঠিক নয়, কারণ তারা তখন নাইকোর বিরুদ্ধে মামলা করলেন না কেনো। এবং এজেন্ট কাসেম, শরীফ সহ যাদের মাধ্যমে টাকা লেনদেন হয়েছে, সবাই ১৯৯৭ সালে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, কাকে টাকা দেওয়া হয়েছে তা অ্যাটর্নি জেনারেল সাহেব বলেন নাই। তাছাড়া খালেদা জিয়াকে টাকা দেওয়া হয়েছে তাও কোথাও নাই, সবি তার ধারণা। বেগম খালেদা জিয়াকে টাকা দেওয়া হয়েছে এই রিপোর্টে কোথাও বলা হয়নি, কে দিয়েছে, কত দিয়েছে, কে দেখা করেছে, কখন দিয়েছে, কিছুই নাই।

ব্যারিস্টার মাহবুব বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চলমান নাইকো মামলায় বিদেশী কয়েক জন সাক্ষী আদালতে অন্তর্তভুক্ত করতে চান অ্যাটর্নি জেনারেল। তাই গতকাল বিকেলে হঠাৎ করেই দরখাস্ত দাখিল করেন। এবং আদালত আগামী ৯ ডিসেম্বর দরখাস্ত দাখিলের শুনানি জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছে। যদিও এই দিন মামলার কোন তারিখ ছিল না। তার মামলার সর্বশেষ তারিখ ছিলো ১৪ অক্টোবর ও পরবর্তি তারিখ ২৩জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।

ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন বলেন, আমরা মনে করি নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য, সরকার অ্যাটর্নি জেনারেলকে ব্যবহার করছেন। না হয় মামলার নির্ধারিত তারিখের আগেই তড়িঘড়ি করে মামলার দরখাস্ত দাখিল করেই অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবাদিক সম্মেলন করে প্রচার করতেন না।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, যে মামলার চার্শিট হয়ে গেছে, এবং(১৬১) যাদের সাক্ষী হিসেবে আনা হয়নি, তাদের এই মামলার সাক্ষী দেওয়ার সুযোগটা তার কোথায়।

তিনি বলেন, বিদেশী আমেরিকান যিনি সাক্ষী হতে চান, তার দরখাস্তে লিখা রয়েছে, তিনি ২০ বছর কাজ করেছেন, এবং রিটায়ার্ড করেছেন ২০১৫ সালে, তাছাড়া তিনি একটা এজেন্সিতে কাজ করতেন। এতো ঢালাও ভাবে প্রচার করার কিছু নেই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ