প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পাটের ধারাবাহিকতায় ধৈঞ্চার জিনোম সিকোয়েন্স উন্মোচন

মতিনুজ্জামান মিটু : পাটের ধারাবাহিকতায় ধৈঞ্চার জিনোম সিকোয়েন্স উন্মোচন হয়েছে। গতকাল কৃষি মন্ত্রণালয়ে অক্টোবর’২০১৮ মাসের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি রিভিউ মিটিং) সভায় ধইঞ্চার জিনোম সিকোয়েন্স উন্মোচন করা হয়। কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে এসময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকতারা এবং বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট বিজেআরআই এর মহাপরিচালক ড. মো. মনজুরুল আলমসহ জিনোম সিকোয়েন্স গবেষণা দলের সদস্যারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজেআরআই মহাপরিচালক এর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে সারের ব্যবহার কমানোর লক্ষে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর নির্দেশনায় ধৈঞ্চার জিনোম গবেষণা কার্যক্রম গ্রহন এবং উন্মোচন করা হয়। প্রায় ১,১৬৮ মিলিয়ন বেস পেয়ার জিনোম আকারের ধৈঞ্চার প্রায় ৪৯,০০০ টি জিন সনাক্ত করে অধিকাংশ জিনের কার্যক্রমগুলো বিশ্লেষণ করা হয়েছে। জিনগুলো এবং সম্পূর্ণ জিনোম বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলোজি ইনফরমেশন (এনসিবিআই) ভেলিডেট করেছে এবং চুড়ান্ত এ্যাসোসিয়েশন নম্বর দিয়েছে। বর্তমানে ধইঞ্চার আঁশের মানোন্নয়নসহ প্রায়োগিক গবেষণা চলমান রয়েছে। ইত:পূর্বে সম্পন্ন করা জিনোম গবেষণার ফলাফল বিএমসি জিনোমিক্স ও নেচারপ্লান্টে মতো বিশ্বখ্যাত জার্নালে প্রকাশের ধারাবাহিকতায় এ গবেষণার ফলাফলও অনুরুপ জার্নালে প্রকাশের পাশাপাশি মেধাস্বত্ত¡ সংরক্ষণের কার্যক্রম চলছে।

দেশের কৃষি খাতে উচ্চ প্রযুক্তির গবেষণায় সরকারের নীতির ধারাবাহিকতায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের পাট বিষয়ক মৌলিক ও ফলিত গবেষণার সঙ্গে জড়িত বিজ্ঞানীরা ধৈঞ্চার জীবন নক্সা উন্মোচন অর্থাৎ জিনোম সিকোয়েন্স সম্পন্ন করে জিনগুলো সনাক্ত করতে সক্ষম হন। ইতিপূর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা পাটের জীবন রহস্য উন্মোচনে সাফল্য পান। প্রধানমন্ত্রী ২০১০ সালের ৭ জুন জাতীয় সংসদে এ সাফল্যেও ঘোষণা দেন। প্রফেসর মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট এর পাট বিষয়ক মৌলিক ও ফলিত গবেষণা প্রকল্পের বিজ্ঞানীরা ২০১২ সালে পাটসহ বিশ্বের ৫০০ টি’রও বেশি উদ্ভিদের জন্য ক্ষতিকর একটি ছত্রাক এবং ২০১৩ দেশী পাটের জীবন নক্সা উন্মোচন করেন। প্রধানমন্ত্রী ইতিপূর্বে তা দেশবাসীকে অবহিত করেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ