প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চট্টগ্রামে হালনাগাদের তথ্য নেই বৈধ ৮৮৪ টি অস্ত্রের

রওশন আরা তানিয়া : চট্টগ্রামের বৈধ অস্ত্রের হালনাগাদ তথ্য, এবং অনেক অস্ত্রধারীর হদিস নেই  প্রশাসনের কাছে। সম্প্রতিক একাধিক ঘটনায় লাইসেন্স করা অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার লক্ষণীয়। নির্বাচনের আগেই এমন পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বলছেন বিশ্লেষকরা। যমুনা টিভি

২০১৭ সালের ১৫ জানুয়ারি হাটহাজারি থেকে বিদেশি রাইফেলসহ দুইজনকে আটক করে র‌্যাব। পরর্বতীতে জানা যায়, এটি ছিল যুবলীগ নেতা তৌফিক আহমেদের লাইসেন্স করা অস্ত্র। একই বছর নগরীর অফির্সাস ক্লাবে আওয়ামী লীগের নেতা মঞ্জুর আলমের অস্ত্রের গুলিতে আহত হন যুবলীগ নেতা জয়নাল। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, বৈধ অস্ত্রের অপব্যবহার বাড়ছে, নির্বাচনেও অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে শঙ্কা।

আইনজীবী ও অপরাধ বিশ্লেষক আখতার কবির চৌধুরী জানান, যাদের লাইসেন্স আছে তারা অস্ত্র রাখার মতো যোগ্য ব্যক্তি না, নির্বাচনে প্রচারণার কাজে অস্ত্র ব্যবহারকারীদের প্রার্থীরা কাছে রাখতে চাইবে, মিছিলে রাখতে চাইবে।

জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, চট্টগ্রাম মহানগরীতে লাইসেন্সকৃত অস্ত্র ২ হাজার ৫৭৭ টি, সিএমপি’র তালিকা অনুযায়ী ১ হাজার ৬৯৩ টি। কিন্তু জেলা প্রশাসনের তালিকা অনুযায়ী ৮৮৪ টি অস্ত্রের হিসাব নেই সিএমপি’র কাছে।

চট্টগ্রামের রির্টানিং কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেন জানান, যেখান থেকে অস্ত্র লাইসেন্স করা, এখন তিনি সেখানে থাকেন না, এগুলো আমাদের সাথে কো-অর্ডিনেশন করলে আমরা তাকে চিহ্নিত করতে পারবো তিনি কোথায় আছেন। এবং তিনি আরো বলে, নির্বাচনে বৈধ-অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই।

সম্প্রতি নগরীর ১৬টি থানায় বৈধ অস্ত্রের জরিপে গড়মিল পেয়েছে সিএমপি। অনুমোদিত অস্ত্রধারীর ঠিকানায় গিয়ে হদিস মেলেনি অনেকের, গুলির হিসাব ও দিতে পারেনি অনেকে।

পুলিশ কমিশনার, সিএমপি মাহবুবর রহমান জানান, কারো হয়তো অস্ত্রের সাথে গুলির স্যংখার মিল নেই, অথবা বৈধ অস্ত্রটি কোনো কোম্পানিকে ভাড়া দিয়েছে, যা পুরোপুরি অবৈধ।

এর আগে ২০১৪ সালে চট্টগ্রামে বৈধ অস্ত্রের জরিপ চালিয়েছিলো সিএমপি, তখনও প্রায় ২৫০টি অস্ত্রেরধারীর খোঁজ পায়নি তারা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ