Skip to main content

ক্ষমতায় এলে ঐক্যফ্রন্টের প্রধানমন্ত্রী কে হবে : হানিফ

মো.ইউসুফ আলী বাচ্চু: জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতা কে? বা তারা ক্ষমতায় এলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন? এমন প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল-আলম হানিফ। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে স্বপ্ন ফাউন্ডেশন আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। হানিফ বলেন, ড. কামালের নেতৃত্বে যে ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়েছে তাদের নেতা কে? লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কি? তা কেউ জানে না। যদি জনগণের ভোটে তারা নির্বাচিত হন তাহলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন? জনগণকে তারা তা জানায় নি। সাংবাদিকরা এ প্রশ্ন করেছিল। উত্তরে তারা এড়িয়ে গিয়ে বলেছেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাই ঠিক করবে কে হবে প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু জনগণ এ প্রশ্নের উত্তর জানতে চায়। আর ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হবার কারণ ধীরে ধীরে সবাই বুঝতে পারছে। আমরা চাই আসন্ন নির্বাচনে জনগণ তাদের ইচ্ছামতো ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করবে। যে কারণে চলছে উৎসবমূখর পরিবেশ। আর তাই শুরু হয়েছে দল ভাঙ্গা গড়ার সময়। ছোট দলগুলো বড় দলের অন্তর্গত থেকে নির্বাচন করতে চায়, জনগণের সেবা করতে। এটা দোষের কিছু না, বরং স্বাভাবিক। কিন্তু অস্বাসভাবিক হয় তখন, যখন একটি জোট গঠনের লক্ষ্য জনগণের কাছে ঘোলাটে থাকে। তাদের পরিকল্পনা বা পথ চলার লক্ষ্য অস্পষ্ট থাকলে জনগণ তাদেরকে নিয়ে বিভ্রান্ত হয়। দেশে জাতীয় ঐক্যফ্র্রন্ট নামে তেমনই একটা জোট তৈরি হয়েছে। যাদের মুল দল বিএনপি। আর তারা ড. কামালের মাধ্যমে পরিচালিত। তিনি আরো বলেন, প্রতিটি সেক্টরে বর্তমান সরকার ব্যপক সফলতা দেখিয়ে উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তান বা আমাদের শত্রুরা পর্যন্ত বাংলাদেশের উন্নতির পক্ষে অকাট্য শিকারোক্তি দিয়েছে। আর দেশের ঠিক এমন সময়ে উন্নতিকে বাধাগ্রস্থ করতে ঐক্যফ্রন্ট গঠন হয়েছে। ড. কামাল হোসেন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হয়ে যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে জোট করেছে। তারেক জিয়া বলেছিল, বিএনপি-জামায়াত একই মায়ের পেটের ভাই। আর তাদের সঙ্গে জোট করে মিথ্যাচার করছেন। আপনি (ড. কামাল) কিসের লোভে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন? আমরা আপনাকে শ্রদ্ধা করি। কিন্তু জনগণের বিরুদ্ধে কৌশলী হলে সেটা কেউ বরদাশত করবে না। বিএনপি’র একমাত্র নির্বাচন কমিশনার আব্দুল আজিজের উপর আস্থা ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, আজিজ সাহেব ১ কোটি ৩০ লাখ ভুয়া ভোটার বানিয়ে ষড়যন্ত্র করে আপনাদের ক্ষমতায় আনতে চেয়েছিল আজিজ সাহেব। এ কারণে আজ পর্যন্ত ওই আজিজ সাহেব ছাড়া আর কোন নির্বাচন কমিশনারের ওপর আপনারা আস্থা রাখতে পারেন নি। এটা আপনাদের মানসিক ব্যধিতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান নির্বাচন কমিশনার স্বাধীন ও নিরপেক্ষএটা নিশ্চিত। রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন, বিএনপি-জামায়াতের লোকজনদের দেশের উন্নতি পছন্দ হয় না। আবার ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতারা কেউ নির্বাচন করে বিজয়ী হতে পারে নি। ড. কামাল বঙ্গবন্ধুর দয়ায় অনির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী একজন শিক্ষিত মানুষ। দেশ কিভাবে উন্নত হবে সেটা তিনি ভালোভাবে বোঝেন। এ কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২৭ টি উপাধি বা সম্মাননা ও ডক্টরেট ডিগ্রী লাভ করেছেন। ওদিকে বেগম খালেদা জিয়া আন্ডার মেট্রিক। দেশের ভালোও বুঝেন না। তাই বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে আবার ক্ষমতায় নিয়ে বাংলাদেশ আগামী ৫ বছরের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবে। আয়োজক সংগঠনের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মুরাদ, অধ্যাপক মোস্তফা কামাল খান, ঢাকা মেট্রোপিলটন পুলিশের ওয়ারী জোনের ডিসি ফরিদ উদ্দিন প্রমুখ।

অন্যান্য সংবাদ