প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভোটের দিন নাশকতার পরিকল্পনা শিবিরের, তালিকা গোয়েন্দার হাতে

হ্যাপি আক্তার : নির্বাচনকে সামনে রেখে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির। বিরোধী রাজনৈতিক দলের নির্বাচনি প্রচারে হামলার পরিকল্পনা করেছে তারা। পাশাপাশি ভোটের দিন নাশকতার ছক কেটেছে সংগঠনটি। সাম্প্রতিক একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য। ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হলেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সূত্র : ডিবিসি নিউজ

গত তিন মাসে রাজধানীতে শিবিরের বেশ কয়েকটি আস্তানায় মিলেছে বোমা তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম। গ্রেপ্তার হয়েছে শতাধিক নেতা-কর্মী। নির্বাচনি প্রচার ও ভোটের দিনে সারাদেশে নাশকতা চালাতে প্রশিক্ষিত কর্মী বাছাই করেছে শিবির। সেই তালিকা এখন গোয়েন্দাদের হাতে।

গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, পুলিশের মনোবলে চিড় ধরাতে বাহিনীটির গুরুত্বপ‚র্ণ পদে থাকা কর্মকর্তাদের তালিকা ধরে হামলার পরিকল্পনা করছে শিবির। সরকারি গুরুত্বপ‚র্ণ দপ্তরসহ নানা স্থাপনায়ও আক্রমণের ছক কষেছে তারা। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দিতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের আড়ালে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে শিবির নেতা-কর্মীরা। নাশকতা ঠেকাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি থাকার কথা জানান ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার।

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘যদি কেউ এই ধরণের অপচেষ্টা করার চেষ্টা করে, সে যেই হোক না কেন তাকে কঠোরভাবে দমন করা হবে। এবং তাকে দেশের প্রচলিত আইনে বিচারের সপর্দ করা হবে। দেশের মানুষের নিরাপত্তা বিঘিœত করা, ভীতি সঞ্চার করা, অরাজকতা করা, এই ধরণের কোনো কার্যকলাপে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স।’
ভোট সামনে রেখে শিবিরের নাশকতার পরিকল্পনার তথ্যকে অপপ্রচার বলছে জামায়াত।

জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুর রহমান বলেন, ‘জাতিকে এতো বোকা ভাবার কোনো কারণ নেই। মানুষ এইগুলো সব বুঝতে পারে। এইগুলো সব বানানো নাটক, মানুষ এইগুলো সব বুঝে।’
যুদ্ধাপরাধের বিচার এবং দশম সংসদ নির্বাচন বাঞ্চাল করতে ২০১৩-১৪ সালগুলোতে জামায়াত-শিবিরের ব্যাপক নাশকতার প্রমাণ মেলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে। পুলিশ এবার তাই বাড়তি সতর্ক।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ