প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিএনপির কণ্ঠস্বর শক্তিশালী হচ্ছে, ঐক্যফ্রন্টের কণ্ঠস্বর ক্ষীণ হচ্ছে : ইশতিয়াক রেজা

অপু খান : জিটিভির প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা বলেছেন, আওয়ামী লীগ, বিএনপিকে কে গালি দিয়ে যারা সামনে আসতে চায় ,তারা কিন্তু কখনো দুর্নীতি, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে কথা বলে না তারা কেবল সিট চাই, সিট চাই ,আসন চাই এগুলোই বলে । ছোট,ছোট রাজনৈতিক দলের বড় নেতাদের আসন চাওয়া প্রসঙ্গে বুধবার রাতে বাংলাভিশনের ‘ইলেকশন এক্সপ্রেস’ টকশোতে তিনি এ কথা বলেন।

ইশতিয়াক রেজা বলেন, রাজনৈতিক সংকটটা তো শুধু শাসন ব্যবস্থার মধ্য না মনোজগতের ভিতর সংকটটা রয়ে গেছে। এখান থেকে তো জাতিকে বের করা খুবই কঠিন। আমরা ক্রমাগতভাবে বিএনপিকে শক্তিশালী দেখতে পাচ্ছি। তুলনামূলক ভাবে ঐক্যফ্রন্টের কণ্ঠটা একটু ক্ষীণ হয়ে আসছে। ঐক্যফ্রন্টের উপর ভর করে বিএনপি সামনে আসলেও এখন দেখা যাচ্ছে ঐক্যফন্টের কন্ঠস্বর ক্ষীণ হয়ে আসছে। ইলেকশন কমিশনে বিএনপি প্রতিদিন যাচ্ছে কিন্তু ঐক্যফ্রন্টকে দেখা যাচ্ছে না।

বিদায়ী জার্মান রাষ্ট্রদূতের প্রথম আলোকে দেয়া সাক্ষাৎকারের বিষয়টি উল্লেখ করে ইশতিয়াক রেজা বলেন, তিনি বলছেন যে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের সংকট নয় এটি রাজনৈতিক সংকট। গণতন্ত্রের আবহাওয়াটা এখানে আছে কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলো সেই গণতন্ত্র দিতে পারবেনা। এক দল গিয়ে আরেক দল আসবে ঠিকই কিন্তু মনোজগতে যে গণতেন্ত্রর চাহিদা সেটা পূরণ হবে না। যতোদিন তারা নিজেরা ঠিক না হবে।

নির্বাচন পর্যবেক্ষক প্রসঙ্গে জিটিভির প্রধান এ সম্পাদক জানান, ট্র্যাডিশনাল পর্যবেক্ষক হাতে গোনা পাঁচ থেকে ছয়টি। নির্বাচনের সময় অনেকগুলো নতুন পর্যবেক্ষক রেজিস্ট্রেশন করে অনুমোদন চায়। ১১৮টির মতো সংগঠন অনুমোদন চেয়েছে। এর মধ্য অধিকাংশ কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। নির্বাচনে পর্যবেক্ষকরা ভয়ংকরভাবে হট্টোগোল করে।

তিনি আরো জানান, আমাদের যে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক নীতিমালা আছে তা কিন্তু ভারতের কপি টু কপি। ছবি তোলা যাবে না, কথা বলা যাবে না, সাক্ষাৎকার দেয়া যাবে না। সব কিছু হবে ভোটের পরে। আমেরিকার ১২ টি রাজ্যে কিন্তু পর্যবেক্ষকের অনুমতিই দেয়া হয় না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ