প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মানুষ বিএনপিকে ভোট দিতে অধীর আগ্রহে বসে আছে : শওকত মাহমুদ

জুয়েল খান : ইকোনোমিক টাইমসের সম্পাদক শওকত মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি বলছে নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্র পাহাড়া দেবে কিন্তু এভাবে গেফতার হতে থাকলে বিএনিপ কর্মীশূন্য হয়ে যাবে, ভোটের দিন ভোটকেন্দ্র পাহাড়ার কোনা কর্মীই খুজে পাবে না। বুধবার রাতে ডিবিসি নিউজের এক আলোচনায় তিনি একথা বলেন।

শওকত মাহমুদ বলেন, ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে রিটার্নিং অফিসারদের ডেকে নিয়ে মিটিং করা হয়েছে। কিন্তু নির্বাচনকালীন সময় রিটার্নিং অফিসাররা সরকার প্রধানের সাথে মিটিং করতে পারেন না। তারা এখন নির্বাচন কমিশনের অধিনে আছেন সরকারের অধিনে নয়। সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্র থেকে সরাসরি সম্প্রচার করতে পারবেন না। এছাড়া ছবি তোলার ব্যাপারেও রয়েছে নিষেধাজ্ঞা এবং পোলিং অফিসার অথবা ভোটকেন্দ্রে কারো সাথে কথা বলতে পারবে না। আর নির্বাচন কমিশন সচিব সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেছেন দেশি এবং বিদেশি পর্যবেক্ষকরা মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থাকবে। তাহলে কিভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব।

তিনি বলেন, পোলিং অফিসার-প্রিজাইডিং অফিসারদের কাছে পুলিশ ফোন করছে, জিজ্ঞাসা করছে আপনি কোন দল করেন এবং বিএনপি করেন কিনা। বিএনপি করলে তাদেরকে বিভিন্ন্ ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এটা সম্পুর্ণ বেআইনি। এছাড়া সরকারি গণমাধ্যমে প্রচারের কোনা সুযোগ বিরোধীদলকে দেয়া হচ্ছে না।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার আবার ঘোষণা দিয়েছে যে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নামবে, এটা আসলে বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে আবার নতুন করে গ্রেফতারের একটা কৌশল মাত্র। এমনিতেই বিভিন্ন অযুহাতে বিএনপির কর্মীদের গ্রেফতার করছে।

শওকত মাহমুদ আরো বলেন, নির্বাচন কমিশন লেবেল প্লেইং ফিল্ড এর কথা বলছে এটা সম্পুর্ণ মিথ্যা, কোথাও কোনো ধরনের সমতা নেই, সম্পূর্র্ণ অসমতল মাঠ এই পরিবেশে নির্বাচন করা হচ্ছে এক ধরনের আতঙ্কের মধ্য দিয়ে। কারণ বিএনপির যে সকল নেতারা নির্বাচন করবে তারা বাড়িতে থাকতে পারছেন না, নির্বাচনী মাঠে থাকতে পারছেন না, পুলিশ হয়রানি করছে তাদেরকে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে কিন্তু কমিশন কোনা ব্যবস্থ্ নিচ্ছে না। আর এভাবে চলতে থাকলে এই নির্বাচন কোনো সুফল বয়ে আনবে না।

তারেক রহমানের নির্বাচন পরিচালনা প্রসঙ্গ তিনি বলেন, আইনের কোথাও বলা নেই যে, তিনি ফোনে কারো সাথে কথা বলতে পারবেন না, অথবা দল পরিচালনা করতে পারবেন না।

তিনি জানান, বিএনপির সকল মনোনয়ন খালেদা জিয়াকে দেখিয়েই চূড়ান্ত করা হবে। তিনি কারাগারে বসেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নেবেন। নির্বাচন কমিশন অভিযোগের কোনা ব্যবস্থা না নিলে বিএনপি আদালতে যাবে এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নিয়ে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ