প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল চালিকাশক্তি শিক্ষক : ড. আনোয়ার হোসেন

মোসাব্বির হোসাইন : সম্প্রতি গরুর ক্ষুরা রোগের টিকা আবিষ্কারকারী স্বনামধন্য বিজ্ঞানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন যিনি বর্তমানে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি যবিপ্রবির শিক্ষক নিয়োগ এবং ভর্তি পরীক্ষা ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন ‘দৈনিক আমাদের নতুন সময়ে’র সাথে।

আসন্ন স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করতে কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, জানতে চাইলে উপাচার্য বলেন, আসন্ন ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করতে আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি। বিগত বছরে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নির্বিঘœ হয়েছে, আশা করি এবারও হবে। পরীক্ষার হলে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থী কোনো ধরনের ইলেক্ট্রনিকস ডিভাইস বহন করতে পারবে না। প্রতি কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা থাকবে, পুলিশ, স্ট্রাইকিং ফোর্স গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে থাকবে। প্রতি কেন্দ্রে ভ্রাম্যমাণ আদালত থাকবে।

শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে তার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, শিক্ষকরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল চালিকা শক্তি। তাই, যোগ্য ও মানসম্মত শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে আমরা সবসময় আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি খেয়াল রাখি। যা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিলক্ষিত হয় না। আমরা মনেকরি, শুধু মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে একজন প্রার্থীকে নিবাচন করা যায় না। আর লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার পর পরিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে আসে, তখন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীকে আমরা ভালোমতো মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচন করতে পারি। শিক্ষকদের পদোন্নতির ব্যাপারে তিনি জানান, শিক্ষকদের পদোন্নতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ইউজিসি থেকে যে অভিন্ন নীতিমালা দেওয়া আছে, আমরা সেই নীতিমালা প্রণয়নের অনেক আগে থেকেই সেসব নীতিমালা বাস্তবায়ন করে আসছি। শিক্ষকদের পদোন্নতি ও নিয়োগের ক্ষেত্রে জার্নালে পাবলিকেশন একমাত্র আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে মানা হয়।

আমরা শিক্ষকদের যোগ্যতা বৃদ্ধির জন্য অনেক প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে থাকি, আজও বিশ্ববিদ্যালয়ে তেমন একটি প্রশিক্ষণ চলছে, সেখানে দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আছেন। দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ বিদেশি অনেক শিক্ষককে এনে আমরা প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকি।

বিশ্ববিদ্যালকে উচ্চমানের গবেষণাগার কেন্দ্র অবহিত করে এ গবেষক বলেন, ইতিপূর্বে আমি বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঘোষণা দিয়েছি। তারই প্রেক্ষিতে উচ্চমানের গবেষণা ল্যাব, জিনোম সেন্টার, অ্যানালাইটিক্যাল ল্যাবরেটরি , ফিশারিজ হ্যাচারি ও অ্যানিম্যাল ল্যাবরেটরি যা বাংলাদেশে আর কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই। এছাড়া আমি প্রতিবছর অন্তত দুইটি করে বিশ্বমানের গবেষণাগার গড়ে তুলবো।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ