প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পদত্যাগের পরিকল্পনা নেই: জাকারবার্গ

রমজান আলী : পদত্যাগের কোনো পরিকল্পনা নেই, এ কথা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ফেসবুকের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ। সাম্প্রতিক সময়ে তাকে পদত্যাগ করতে চাপ বাড়িয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির বিনিয়োগকারীরা, এরই প্রেক্ষিতে এই কথা বললেন প্রতিষ্ঠানটির এই সহ-প্রতিষ্ঠাতা।

ফেসবুকের শেয়ারমূল্য চলতি বছরের জুলাইয়ে হওয়া সর্বোচ্চ থেকে এখন ৪০ শতাংশ নিচে, প্রতি শেয়ারের দাম ১৩২.৪৩ ডলার। এটি তার ফেসবুক ছাড়ার জন্য সঠিক সময় নয় বলে মন্তব্য করেন জাকারবার্গ। গত মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি। ফেসবুক প্রধান বলেন, “এমন পরিকল্পনা নেই। আমি এটি চিরকাল ধরে এ কাজ করবো না, কিন্তু আমি এ-ও মনে করি না এখনই এর (পদত্যাগের) কোনো মানে হয়।”

বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক মাধ্যমটি রিপাবলিকান দলের মালিকানাধীন রাজনৈতিক পরামর্শক ও গণসংযোগ প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দিয়েছে যারা “প্রতিদ্বন্দ্বীদের নোংরা তথ্য বের করে আনতে কাজ করে”- সম্প্রতি মার্কিন দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর তদন্ত প্রতিবেদনে এ খবর প্রকাশ করা হয়। এছাড়াও প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, জাকারবার্গ ও ফেসবুকের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা শেরিল স্যান্ডবার্গ কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা কেলেঙ্কারির ‘সতর্কবার্তা এড়িয়ে গিয়েছেন’। এরপর থেকেই বিনিয়োগকারীরা জাকারবার্গকে পদত্যাগের চাপ দিচ্ছেন।

সিএনএন-এর সঙ্গে সাক্ষাৎকারে জাকারবার্গ বলেন, “আমি প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করি। এখানে যা ঘটে তার জন্য আমি দায়ী। আমি মনে করি না এই বিষয়টি কোনো নির্দিষ্ট পিআর প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে ছিল; এটি আমরা কীভাবে কাজ করি তা নিয়ে।”

মার্কিন দৈনিকটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেসবুক ডিফাইনারস পাবলিক অ্যাফেয়ারস নামের ওয়াশিংটনভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দিয়েছে। তবে এক সংবাদ সম্মেলনে ফেসবুক সহ-প্রতিষ্ঠাতা জাকারবার্গ এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে বেশি কিছু জানার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “এই প্রতিবেদন পড়ার পর আমি আমাদের দলের সঙ্গে ফোনে কথা বলি ও আমরা এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর কাজ করছি না।”

অন্যদিকে, ফেসবুকের জননীতিমালা প্রধান ইলিয়টশ্রেইজ ডিফাইনারস-কে নিয়োগ দেওয়ার দায় মেনে নিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে আইএএনএস-এর প্রতিবেদনে। শ্রেইজ ইতোমধ্যে পদত্যাগের ঘোষণাও দিযেছেন। প্রযুক্তি সাইট টেকক্রাঞ্চ-এর প্রকাশিত এক বিবৃতি অনুযায়ী, শ্রেইজ প্রতিদ্বন্দ্বীদের নিয়ে নেতিবাচক কথা ছড়ানোর বিষয়টি উল্লেখ স্বীকার করেছেন। কিন্তু ভুয়া সংবাদ প্রকাশ করতে ডিফাইনরাস- কে অর্থ পরিশোধ করা বা অনুরোধ করার কথা অস্বীকার করেন তিনি।

সিএনএন-এর সঙ্গে সাক্ষাৎকারে জাকারবার্গ আরও বলেন, ২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচনের সময় রুশ হস্তক্ষেপ বিষয়ে আমরা যে সত্যিই “গুরুত্বপূর্ণ কিছু ব্যাপার” ধরতে পারিনি তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তিনি বলেন, “এটি আমরা ধারলাও করতে পারিনি। আমার আফসোস আমি এটি ২০১৬ সালের আগে বা রুশরা এসব তথ্য পরিচালনার কাজ প্রথম করার আগে বুঝতে পারিনি। সূত্র: বিডিনিউজ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত