Skip to main content

বাণিজ্যযুদ্ধে গুদামের মূল্য চড়া, পচঁছে মার্কিন শস্য

নূর মাজিদ : সদ্যসমাপ্ত মৌসুমে উৎপাদিত খাদ্যশস্যের পাহাড়সম মজুদ কোথায় রাখবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন মার্কিন কৃষকেরা। বাণিজ্যযুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে চীনা ক্রেতাদের কাছ থেকে আশানুরূপ সারা না পেয়ে তারা এই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। বিশেষ করে, অতিরিক্ত মজুদের কারণে দেশটির শস্য গুদামগুলোর ভাড়াও বেড়েছে। লুইজিয়ানার কৃষক রিচার্ড ফন্টেনট এবং তার প্রতিবেশীদের কাছে এখন নিজস্ব আবাদি জমিতে এই সকল শস্য নষ্ট হতে দেয়া ছাড়া অন্য কোন রাস্তা খোলা নেই। তিনি সম্প্রতি তার ১৭শ একর সয়াবিন আবাদি জমির মাঝে ১ হাজার একরের ফসল ট্রাক্ট্রের লাঙ্গল দিয়ে ক্ষেতের জমিতেই মিশিয়ে দিয়েছেন। যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ ডলার। বাণিজ্যযুদ্ধ না হলে নিকটবর্তী সাইলো বা গুদামের কাছে ন্যায্যমুল্যেই শস্য বিক্রয় করতে পারতেন ফন্টেনট। এই সাইলোগুলো আন্তর্জাতিক খাদ্যশস্য সংগ্রহকারী কো¤পানিগুলো পরিচালনা করে থাকে। তবে চলতি অধিক পরিমাণে শস্য কিনছেনা এই সাইলোগুলো, তাদের বর্তমান শস্য মজুদ নিয়েও তারা বিপাকে রয়েছে। এই অবস্থায় বাড়তি শস্য মজুদে মার্কিন চাষিদের জন্য গুদাম ভাড়াও বাড়িয়ে দিয়েছে তারা। এই বিষয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া এক টেলিফোন ইন্টারভ্যিউয়ে ফন্টেনট বলেন, কেউই আমার শস্য কিনতে চাইছেনা, তাই মাটিতে মিশিয়ে দেয়া ছাড়া এই শস্য বাড়তি ভাড়া দিয়ে গুদামে রাখার কোন যৌক্তিকতা আমি দেখছিনা। তবে শুধু লুইজিনায়ায় নয় বরং সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রজুড়েই অনেক কৃষক তাদের উৎপাদিত শস্য জমিতেই যান্ত্রিক লাঙ্গল চালিয়ে মিশিয়ে দিচ্ছেন। এই বিষয়ে মার্কিন কৃষকদের অভিমত নিয়ে পরিচালিত এক একাডেমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, বাণিজ্যযুদ্ধ স্বত্বেও আগামী বছর উৎপাদিত শস্যের ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন চাষিরা। তবে তারা মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত বাণিজ্যযুদ্ধের কারণেই চীনে শস্য রপ্তানি আশঙ্কাজনকভাবে কমছে এবং বাড়তি মজুদ তৈরি হচ্ছে। রয়টার্স

অন্যান্য সংবাদ