প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ফিরে আসছে সেইসব মাছ

সালেহ্ বিপ্লব : দেশি মাছের এখন বড়োই আকাল। অনেক নদ-নদী শুকিয়ে গেছে, ভরাট করা হয়েছে অসংখ্য জলাশয়। কীটনাশকের যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলে মাছের নিরাপদ আবাস ধ্বংস হয়ে গেছে। ফলে মানুষ নানান পদের বিভিন্ন স্বাদের অনেক মাছের চেহারাই এখন ভুলতে বসেছে। মাছের অভাব নেই দেশে, তবে হাইব্রিড মাছের স্বাদগন্ধে এখনো অভ্যস্ত হতে পারেননি দেশের মানুষ। বাজারে টুকটাক যা পাওয়া যায়, তাও আবার চড়াদামের কারণে মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে থেকে যায়। এমনই এক অবস্থায় সুখবর এসেছে মেহেরপুর থেকে, ভৈরব নদ পুনর্খননের ফলে এই জেলায় ফিরে আসছে দেশি মাছের বেশ কিছু প্রজাতি। সূত্র : বাসস বাংলা।

এক সময় মেহেরপুরের বিভিন্ন খাল-বিল, নদী-নালায় পাওয়া যেতো বাইম, মাগুর, কই, শৈল, বোয়াল, বেলে, চান্দা, পটকা, পুঁটি, টেংরা, আইড়, কালা বাউস, বাঁশ পাতা, পাতাশী, চেলা, ডাড়কি, চ্যাং, চান্দা, ভ্যাদা, টাকীসহ অসংখ্য মাছ পাওয়া যেতো। জেলার চাহিদা মিটিয়েও আশপাশের জেলাগুলোতেও পাঠানো হতো এসব মাছ। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাস্তবতা ভিন্ন, বিভিন্ন জলাশয় থেকে পাওয়া মাছে জেলার মানুষের চাহিদাই মিটছে না। সরকারি হিসেবে, চাহিদার চারভাগের একভাগ মাছও নেই মেহেরপুরের নদী-নালা, খাল-বিল-পুকুরে। জেলার ৪টি নদ-নদী ও ৪২টি খাল-বিল শুকিয়ে যাওয়ায় মাছের নিরাপদ আশ্রয় আর নেই।

মৎসজীবী ভক্ত হালদার বললেন, অভয়াশ্রম তৈরি করা গেলে বিলুপ্তপ্রায় দেশি মাছের বংশবিস্তার হবে। এক্ষেত্রে মৎস্য চাষিদের পাশাপাশি কৃষকদেরও সচেতন হতে হবে।

জেলা মৎস্য কর্মকতা সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়া জানান, গতবছর ভৈরব নদ খনন করা হয়েছে। এক সময়কার প্রমত্ত এই নদে পানির প্রবাহ ফিরে এসেছে। এর ফলে মেহেরপুরে আবারো দেশি মাছ পাওয়া যাবে। পরিমাণ কেমন হবে, সে ব্যাপারে এখনই কিছু না বললেও, জেলার চাহিদা মেটানোর মতো মাছ মাছ পাওয়া যাবে বলে তিনি আশাবাদী।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ