প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

লোক-কারুশিল্প ফাউন্ডেশন জাদুঘর সম্প্রসারণে ব্যয় হবে ১৪৭ কোটি টাকা

আদম মালেক : দেশের ঐতিহ্যবাহী লোক ও কারুশিল্পের উন্নয়নে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত লোক-কারুশিল্প ফাউন্ডেশন সম্প্রাসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য ব্যয় হবে ১৪৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দর্শনার্থী ৫০ শতাংশ বাড়বে। পাশিপাশি রাজস্ব আয়ও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় ।

পরিকল্পনা কমিশনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পর গত ৫ আগস্ট অনুমোদন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে সভায় দেওয়া সুপারিশগুলো প্রতিপালন করা হলে প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে। বর্তমানে এটি একনেকে উপস্থাপনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের পর অনুষ্ঠেয় একনেকে অনুমোদন দেওয়ার কথা রয়েছে প্রকল্পটি।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের ঐতিহ্যবাহী লোক ও কারুশিল্পের সুরক্ষা, সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রদর্শন, গবেষণা ও পুনরুজ্জীবনের কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ফাউন্ডেশনে সংগৃহীত নিদর্শন দ্রব্যের সংখ্যা প্রায় ছয় হাজার। ২০১২ সালে সমাপ্ত প্রকল্পের আওতায় বর্তমান জাদুঘর ভবনের এক তলার ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের পরিপ্রেক্ষিতে মাত্র দুইশ নিদর্শন দ্রব্যের প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়েছে। স্থানাভাবে আর প্রায় পাঁচ হাজার ৮০০টি নিদর্শন দ্রব্যর প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা সম্ভব হচ্ছে না।

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের এ ধরনের অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্যই সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় প্রকল্পটি হাতে নিতে চাচ্ছে বলে জানিয়েছে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা। ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের জুনে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে এই প্রকল্প।

প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে— আবাসিক ভবন ও স্থাপনা নির্মাণ, যানবাহন কেনা, কম্পিউটার ও টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম কেনা, আসবাবপত্র কেনাসহ অন্যান্য।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের আর্থসামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত পরিকল্প কমিশনের মতামত দিতে গিয়ে একনেকের জন্য তৈরি সার-সংক্ষেপে বলেন, প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ এর ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা বাড়বে এবং লোক ঐতিহ্যের সংরক্ষণ কারুশিল্পের বিকাশের মাধ্যমে লোক ও কারুশিল্পের পুনরুজ্জীবন ঘটবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত