প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মানুষের মলেও প্লাস্টিক, পেটে থাকা বিচিত্র নয়

মতিনুজ্জামান মিটু: শুধু সমুদ্রের বুকে এবং তিমিসহ মাছের পেটে নয়, মানুষের মলেও প্লাস্টিক পাওয়া গেছে। ব্রিটিশ একদল বিজ্ঞানীর বরাতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের ( বার্ক) পুষ্টি ইউনিটের পরিচালক ড. মো. মনিরুল ইসলাম জানান, মাত্র কয়েক দিন আগে তারা এ রিপোর্ট দিয়েছেন। মলে থাকলে মানুষের পেটেও প্লাস্টিক থাকা বিচিত্র নয়। নিরাপদ ফুড গ্রেডের পরিবর্তে নিম্নমানের বোতলে পানি খাওয়াসহ নানাভাবে মানুষের পেটে প্লাস্টিক স্থান করে নিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

খাদ্যছাড়াও টুথপেস্ট এবং প্রসাধনী সামগ্রী যেমন ফেসিয়ালে প্লাস্টিকের মাইক্রোবিটস (দশমিক ৫ মাইক্রোমিটারের চেয়ে কম) আছে। মানুষ প্রতিনিয়িত যত্রতত্র এমনকি নদী, খাল, বিল এবং সমুদ্রের বুকেও বোতল থেকে শুরু করে নানা আকারের প্লাস্টিকের সামগ্রী ফেলছে। এইসব প্লাস্টিকের মধ্যে স্পঞ্জ আকারের প্লাস্টিকের মধ্যে সহজেই হেভী মেটাল বা ভারী ধাতু মাছের পেটে ঢুকে পড়ছে। এতে মাছ মারাও যাচ্ছে। এছাড়া হেভী মেটাল বহনকারী এসব মাছ খাওয়ায় মানুষের পেটেও জায়গা করে নিচ্ছে আর্সেনিক, লিড, ক্যাডমিয়াম, মারকারীসহ বিভিন্ন ধরনের ভারী ধাতু। ইন্দোনেশিয়ায় মৃত তিমি মাছের পেটে ৬ কেজি প্লাস্টিকের অস্তিত্বের খবর পরিবেশ পরিস্থিতির ভয়াবহতাকে নতুন করে তুলে ধরেছে।

তিনি বলেন, বার বার তাগিদ দেয়ার পরেও মানুষকে নিম্ন গ্রেডের অনিরাপদ একই বোতলে পানি রেখে তা পান করা থেকে নিবৃত্ত করা যাচ্ছে না। তথাকথিত আধুনিকতার নামে অহরহ ব্যবহার করা হচ্ছে মাইক্রোবিটস আকারের প্লাস্টিকসহ ফেসিয়াল ও অন্যান্য প্রসাধনী সামগ্রী এবং টুথপেস্ট। যতকথাই বলা হোক না কেন পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে অবনতির দিকেই যাচ্ছে। পরিবেশ পরিস্থিতি হচ্ছে ভয়াবহ থেকে ভযাবহতর এবং ঝুঁকিপূর্ণ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ