প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আসন পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন ইসলামী দলের নেতারা

মো. ইউসুফ আলী বাচ্চু : জাতীয় পার্টির সাথে ৫৯টি ইসলামী জোটের সমন্বয়ে ‘সম্মিলিত জাতীয় জোটে’র আত্মপ্রকাশ ঘটে ২০১৭ সালে। যেখানে জাতীয় পার্টি ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ছাড়া অন্যদের নিবন্ধন নেই। ওই জোটে জাতীয় ইসলামী মহাজোট (৩৪ দল নিয়ে গঠিত) ও বাংলাদেশ জাতীয় জোট (বিএনএ) (২৪ দল নিয়ে গঠিত) রয়েছে।

ইসলামী দলগুলোর প্রধান শরিক দল জাপা। ঠিক মহাজোটে থাকা জাপার প্রধান শরিক দল আওয়ামী লীগ। শরিকের শরিক দল হিসেবে নির্বাচনী আসন পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন ইসলামী দলের নেতারা।

সংখ্যায় অনেক বড় হওয়া জাতীয় পার্টির ইসলামী শরিকদের চাহিদা খুব অল্প। তবে জোটের রাজনীতির মেরুকরণে চাহিদার যোগান না পেলে ভিন্ন পথে হাটার কথাও ভাবছেন অনেকে। এদিকে ইসলামী জোট ও বিএনএ জাতীয় পার্টির মনোনয়নপত্র সাংগ্রহ করেছে। তবে নিজেদের মতো মনোনয়নপত্র বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব এম এ মতিন বলেন, শরিকদের শরিক দল হিসেবে কতোটূকু মূল্যায়ন পাবো তা জানি না। কিন্তু নির্বাচনী মাঠে কিভাবে লড়াই করতে হয় সেটা জানি। ইসলামী ফ্রন্ট ৪০টি আসনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে। তারা মোমবাতি প্রতীকে নির্বাচন করতে চায়।

ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব এম এ মতিন চট্টগ্রাম -১১, ১২ ও ১৩ আসন থেকে নিজে তিনটা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এই তিন আসনের মধ্যে যে কোন একটা তাকে দিলে তিনি খুশি। একই সাথে চট্টগ্রাম -৮ ও ১৪ এই দুই আসনের মধ্যে যে কোন একটা। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ১; চাঁদপুর- ৫; ফেনী-১ এই ৩ আসন চান মহাসচিব এম এ মতিন।

মোট ৫টি আসনের চাহিদার কথা জানান এম এ মতিন। কারণ ইসলামী দলগুলোর মধ্যে সবথেকে শক্তিশালী তাদের ফ্রন্ট। এম এ মতিন বলেন, আমরা আশা করছি মহাজোট থেকে আসন পাবো। কারণ সাংগঠনিক কাঠামো ও বিশাল জনগোষ্ঠী রয়েছে। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির পরের স্থানে ইসলামী ফ্রন্ট রয়েছে এমন কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের পীর- ওলি , আলেম-ওলামাদের লক্ষ্য লক্ষ্য অনুসারী, মাজারগুলোর অনুসারীরা আমাদের সাথে। এরাই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় ভোট ব্যাংক। যা মহাজোট কাজে লাগাবে।