প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‌‘সুযোগ পেলেই পল্টি মারতে পারেন এরশাদ’

রবিন আকরাম : গত নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত এরশাদকে সিএমএইচে আটকে রেখে নির্বাচন করতে হয়েছিল আওয়ামী লীগকে। এবারও যে সুযোগ পেলে পল্টি মারবেন না, তার গ্যারান্টি নেই বলে মন্তব্য করেছেন লেখক ও কলামিস্ট প্রভাষ আমিন।

মঙ্গলবার অনলাইন নিউজ পোর্টাল বার্তা২৪-এ তিনি এসব কথা লিখেছেন।

প্রভাষ আমিনে ভাষায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মোটামুটি ৭০টি আসন শরিকদের জন্য ছাড়তে রাজি। কিন্তু জাতীয় পার্টি একাই তো চায় ১০০টি। ১৪ দলের শরিকরা গতবার পেয়েছিল ১৫টি আসন। এবার তারা আরো বেশি চায়। তবে বাড়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। বরং কমার আশঙ্কা আছে। আমার ধারণা আসন কমলেও ১৪ দলের শরিকদের বুঝিয়ে শান্ত রাখা যাবে। বিকল্পধারার নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টকেও হয়তো গোটা পাঁচেক আসন দিয়ে পোষ মানানো যাবে। কিন্তু সমস্যা হবে জাতীয় পার্টিকে নিয়ে।

আবার জাতীয় পার্টির মধ্যেও এরশাদ আর রওশন এরশাদের মধ্যে ঠান্ডা লড়াই আছে। এসব সামাল দেয়া সহজ নয়। গতবার বিএনপি আসেনি বলে আওয়ামী লীগ অনেক উদার হতে পেরেছিল। এবার সে সুযোগ নেই। ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়ায় এবার লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি।

আমার ধারণা আওয়ামী লীগের মূল ঝামেলাটা হবে জাতীয় পার্টিকে নিয়েই। এরশাদের মতিগতি বোঝা ভার। গত নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত এরশাদকে সিএমএইচে আটকে রেখে নির্বাচন করতে হয়েছিল আওয়ামী লীগকে। এবারও যে সুযোগ পেলে পল্টি মারবেন না, তার গ্যারান্টি নেই। আবার ভোটের রাজনীতিতে জাতীয় পার্টিকে দরকার আওয়ামী লীগের। বিএনপি যেমন শত নিন্দা সয়েও রাজাকার জামায়াতকে ছাড়বে না, আওয়ামী লীগ তেমনি স্বৈরাচার জাতীয় পার্টিকে ছাড়বে না। ১৪ দলের শরিকদের ভাবমূর্তি আছে, ভোট নেই। আর জাতীয় পার্টির ভাবমূর্তি নেই, ভোট আছে। বিএনপি+জামায়াতকে মোকাবেলা করতে আওয়ামী লীগ+জাতীয় পার্টি লাগবে। দুই পক্ষের বাকি দলগুলো হলো দুধভাত।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত