প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাংলাদেশের বাজার হারানোয় ২০১৮-১৯ অর্থবছরে কমতে পারে ভারতের চাল রপ্তানি

আসিফুজ্জামান পৃথিল : ৩ বছরের মধ্যে প্রথমবার ভারতের চাল রপ্তানি কমার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশের মতো বড় বাজার হারানোতেই দেখা দিয়েছে এ আশঙ্কা। ভারতের নন-বাসমতি চাল রপ্তানির অন্যতম প্রধান বাজার বাংলাদেশ। মানি কন্ট্রোল

চলতি অর্থবছরে কৃষকদের সহায়তার উদ্দেশে ধানের দর ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে ভারতের কেন্দ্র সরকার। এরই প্রভাব পড়েছে রপ্তানিতে। আর বিগত বছরের বন্যার ধকল কাটিয়ে টানা ২ মৌসুম ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে বাংলাদেশে। এ কারণে আপাতত ভারত থেকে চাল আমদানি করা হচ্ছে না। তবে রপ্তানি কমলেও আগের মতোই থাকবে এ খাতে ভারতের রপ্তানি আয় বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা ভারতের দ্য ফাইনেন্সিয়াল এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন, রপ্তানি আয় বিগত অর্থবছরের মতোই থাকবে।

ভারদের চাল রপ্তানির ৬০ শতাংশই বাসমতি। অক্টোবরে এ ধরনের চাল রপ্তানি ১৩ শতাংশ কমে গেছে। আর ভারতে নন-বাসমতি চালের দর না কমলেও ভারতের প্রধান বাজার গুলোতে চালের দাম কমেছে। তাই অনেক ক্রেতাই আমদানি আদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। গত অর্থবছরে ভারত রেকর্ড চাল রপ্তানি করেছিলো। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ভারত মোট ১.২৭১ কোটি টন চাল রপ্তানি করেছিলো। আর এবছরের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬ মাসে ভারত মাত্র ৫৮ লাখ টন চাল রপ্তানি করেছে।

গত অর্থবছর নন-বাসমতি চালের ক্ষেত্রে ভারতের সবচেয়ে বড় বাজার ছিলো বাংলাদেশ। এ বিষয়ে ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেসকে রাইস এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট বিভি কৃষ্ণা রাও বলেন, ‘এবছর সেখানে উৎপাদন অনেক বেড়েছে। তাই আমদানি মৌসুম শুরুর পর তারা আগের মতো আমদানি নাও করতে পারে।’ এছাড়াও ধানের উচ্চ ক্রয়মূল্য ভারতকে আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতায় পেছনে ছিটকে ফেলতে পারে। এবছরের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬ মাসে নন-বাসমতি চালের রপ্তানি ১৩ শতাংশ কমেছে। এ সময়ে এ ধরণের চাল রপ্তানি হয়েছে মাত্র ৩৭.২৩ লাখ টন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ