প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিনামূল্যের ৩০ কোটি বই ছাপার কাজ শেষ: এনসিটিবির চেয়ারম্যান

তরিকুল ইসলাম সুমন : বছরের প্রথম দিন বই উৎসবের পাশপাশি সকল শিক্ষার্থীদের হাতে নতুনবই পৌছে দেয়ার অংশ হিসেবে ৩০ কোটি বই ছাপার কাজ শেষ হয়েছে। ২৫ কোটি বই স্থানীয় পর্যায়ে পৌছে দেয়া হয়েছে ৫ কোটি বই বাঁধায়ের কাছ চলছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র সাহা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৯ শিক্ষাবর্ষের সারাদেশের চার কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার ৮৬৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য ৩৫ কোটি ২২ লাখ কপি বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক স্তরের বই ৬৮ লাখ ৫৬ হাজার ২০ কপি। প্রাথমিক স্তরের ৯ কোটি ৮৮ লাখ ৮২ হাজার ৮৯৯ কপি, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষার বই দুই লাখ ৭৬ হাজার ৭৮৪ কপি, ইবতেদায়ির দুই কোটি ২৫ লাখ ৩১ হাজার ২৮৩ কপি এবং দাখিলের তিন কোটি ৭৯ লাখ ৫৮ হাজার ৫৩৪ কপি শতভাগ ছাপা হয়েছে। মাধ্যমিক (বাংলা ভার্সন) স্তরের ১৮ কোটি ৫৩ হাজার ১২২ কপি এবং একই স্তরের ইংরেজি ভার্সনের ১২ লাখ ৪৭ হাজার ৮২৬ কপি বইয়ের মধ্যে প্রায় ৩ কোটি বই ছাপা বাকি রয়েছে।

এছাড়া কারিগরি শিক্ষা স্তরের ১২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৪৮ কপি, এসএসসি ভোকেশনাল স্তরের এক লাখ ৪৩ হাজার ৮৭৫ কপি, ব্রেইল পাঠ্যপুস্তক পাঁচ হাজার ৮৫৭ কপি এবং সম্পূরক কৃষি (৬ষ্ঠ-৯ম) স্তরের এক লাখ ২৪ হাজার ২৬১ কপি বই ছাপা হচ্ছে। এখানেও কিছু বই ছাপা বাকি রয়েছে বলে এনসিটিবি সূত্রে জানাগেছে।

প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র সাহা আরো বলেন, নতুন করে উপ-আনানুষ্ঠানিকের জন্যও নতুন করে ৩২ লাখ বই ছাপানোর জন্য নির্দেশনা এসেছে। এ পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে আগামী বছরের জুলাই থেকে আমরা চাচ্ছি সকল বইয়ের সঙ্গে এগুলোও ছাপা হোক এ জন্য সকল নীতিমালা অনুসরণ করেই এগুচ্ছি আমরা।

সংশ্লিস্ট সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে বেশ কিছু প্রেসকে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পরিদর্শনকালে রাইয়ান,হক প্রিন্টিার্স, নিবেদীকা, এআইটি প্রিন্টিং প্রেস, অনুপম প্রেসকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও নিম্নমানের ছাপার কারণে রাইয়ান প্রিন্টার্সসহ কেশ কিছু প্রিন্টার্সেও ১৫ হাজার বই কেটে ফেলা হয়েছে। তাদেও বাধ্য করা হয়েছে নতুন কওে এসব বই ছাপার জন্য।

আগামী ১০ ডিসেম্বরের আগেই ৯৯ শতাংশ বই স্থানীয় পর্যায়ে পৌঠে দেওয়া হবে। তবে দকিছু প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট সময়ের পরে এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে কিছু বই ছাপার জন্য ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ