প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গ্যাসের ওভার প্রেসার, শীতে বন্ধ হবে না চুলা

স্বপ্না চক্রবর্তী : চাহিদার তুলনায় গ্যাসের ওভার প্রেসার রয়েছে। আর তাই এবছর শীতে গ্যাস ক্রাইসিস থাকবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। শুধু আবাসিক খাত নয় শিল্প খাতেও গ্যাসের সংকট থাকবে বলে জানিয়েছেন তারা।

প্রতিবছরই শীতের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রাজধানীর আবাসিকখাতে দেখা দেয় তীব্র গ্যাস সংকট। এতে করে অনেকের ঘরেই চুলা জ্বলে না। দিনের বেলা একেবারেই গ্যাস না থাকায় রান্না করাও সম্ভব হয় না অনেক পরিবারের পক্ষে। তবে এ বছর এমনটি হবে বলে জানিয়েছেন খোদ তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল। তিনি বলেন, তিতাসের আওতাধীন এলাকাগুলোতে গ্যাসের ওভার প্রেসার আছে। তাই এ বছরের শীতে অনাকাক্সিক্ষত কোনো ঘটনা না ঘটলে আবাসিক বা শিল্প কোনো খাতেই গ্যাস সংকট দেখা দেবে না বলে আমরা আশা করছি। একই কথা বলেন তিতাসের পরিচালক (অপারেশন) কামরুজ্জামান খান। তিনি বলেন, বর্তমানে আমরা ১৭ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট কনজিউম করছি। আগামী ২সপ্তাহ পরে আরও ২০০মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হবে। যদিও বর্তমানে আবাসিক এবং শিল্পখাতে গ্যাসের চাহিদা রয়েছে ২হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। তবুও আমরা আশা করছি শীতে আবাসিক এবং শিল্প উভয় খাতেই গ্যাসের কোনো সংকট থাকবে না।

এদিকে পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে দেশে গ্যাসের চাহিদা প্রতিদিন প্রায় ৩হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এলএনজি সরবরাহ শুরু হওয়ার পর এই চাহিদার বিপরীতে প্রায় ৩হাজার মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে আরও ২০০মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হলে গ্যাসের সংকট পুরোপুরিভাবে মিটানো যাবে বলেও মন্তব্য করছেন জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টরা।

তবে গ্যাসের আমদানী, সরবরাহ নিশ্চিত হলেও শীতে গ্যাস সংকট সম্পুর্নভাবে কাটবে বলে মনে করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল আলম। তিনি বলেন, আমাদের জ্বালানিখাতের অধিকাংশই দুর্নীতিগ্রস্থ। এদের বেশিরভাগই জনসাধারণের সেবার চাইতে নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত। যতই আমদানি করা হউক না কেনো। সুষম বন্টন নীতি না হলে আমার মনে হয় কোনোদিনই আমাদের গ্যাস সংকট কাটবে না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ