প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কৃষিঋণ বিতরণে পিছুটান বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর

আদম মালেক : এবারও কৃষিঋণ বিতরণে পিছুটান বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর। ব্যাংকগুলো ঋণ বিতরণে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি। ৬টি বেসরকারী ব্যাংকের ঋণ বিতরণ এক তৃতীয়াংশেরও কম। ৭ টি বেসরকারী ব্যাংকের বিতরণ খুবই কম। ২টি বিদেশী ব্যাংক এখনও ঋণ বিতরণ করতেই পারেনি। ২টি দেশী ব্যাংকও কৃষিঋণ বিতরণের বাইরে। বাংলাদেশ প্রদত্ত কৃষিঋণ বিভাগের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ২১ হাজার ৮শ কোটি টাকা। অর্থবছরের প্রথম চার মাস(জুলাই-অক্টোবর) ৭২৫০ কোটি টাকা বিতরণের সম্ভাবনা থাকলেও বিতরণ হয়েছে ৫ হাজার ৬৪৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকা যা গেল বছর এই সময়ের চেয়ে ৫৫৯ কোটি ১৩ লাখ টাকা কম। গেল অর্থবছরের এই সময়ে কৃষিঋণ বিতরণ হয় ৬ হাজার ২০৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র আরো জানায়, অর্থবছরের এই ৪ মাসে বিতরণকৃত কৃষিঋণের মধ্যে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোডের্র(বিআরডিবি) রয়েছে ২৯৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। ৮ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক বিতরণ করেছে ২ হাজার ৬০৮ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। ৪৪ টি দেশি-বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক বিতরণ করে ২ হাজার ৭৪৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। গেল বছরের এই সময়ে দেশী বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ৩ হাজার ৮৩১ কোটি ২১ লাখ টাকা বিতরণ করে। গেলবারের তুলনায় চলতি চছরের জুলাই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কৃষিঋণ বিতরণ ১ হাজার ৭৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা কমে যায়। বলতে গেলে এক তৃতীয়াংশেরও কম।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কৃষিঋণ বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছরের ৩১শে অক্টোবর পর্যন্ত ৩ বিদেশী ব্যাংক সিটি ব্যাংক এনএ, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলোন ও উরি ব্যাংক ঋণ বিতরণ শুরু করতে পারেনি। দেশি-বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে মধুমতি ও সীমান্ত ব্যাংক কৃষিঋণ বিতরণ করেনি। এবি,ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ও আইএফআইসি ব্যাংকের বিতরণের পরিমাণ এক তৃতীয়াংশেরও কম। যমুনা,এনসিসি,সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার,এনাআরবি,প্রিমিয়ার ও ইউনিয়ন ব্যাংকের ঋণ বিতরণ অনেক কম।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ