প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম গ্রেফতার

সৌরভ নূর : দুর্নীতির মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে গ্রেফতার করেছে মহানগর উত্তর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের সদস্যরা।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ডিবি উত্তর বিভাগের এডিসি গোলাম সাকলায়েন সিথিল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খানও গ্রেফতারের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, মঙ্গলবার সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেয় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক শেখ গোলাম মাহাবুব।

আদেশে ১৯৫৭ সালের দুর্নীতি দমন আইনের ৪(২) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তিন বছরের কারাদণ্ডসহ পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন আদালত। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রফিকুল ইসলাম মিয়ার আইনজীবী হান্নান ভূঁইয়া বলেন, ‘ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে তিন বছরের কারাদণ্ডের সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত এবং তা দিতে ব্যর্থ হলে তিন মাস অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আজ এ মামলায় ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া হাজির না হওয়ায় তাঁর অনুপস্থিতিতে এ রায় দেওয়া হয়েছে। এ মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।’

নথি থেকে জানা যায়, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন-সংক্রান্ত অভিযোগ পায় তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো।

২০০১ সালের ৭ এপ্রিল দুদক ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার নামে-বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করতে নোটিশ জারি করে।

কিন্তু ওই বছরের ১০ জুনের মধ্যে বিবরণী দাখিল করতে বলা হলেও তিনি তা না করায় ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি দুদক কর্মকর্তা সৈয়দ লিয়াকত হোসেন উত্তরা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর ওই বছরের ৩০ নভেম্বর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ