Skip to main content

তৃণমূলে সম্পর্কহীন ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলে মনোনয়ন হারানোর আশঙ্কা আ. লীগের অনেক প্রার্থীর

সাজিয়া আক্তার : জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও অনেকেই এলাকায় আসেন না। তৃণমূলের কর্মীদের সঙ্গেও নেই তেমন যোগাযোগ, রয়েছে অভ্যন্তরীণ কোন্দলও। এ রকম নানা অভিযোগে চট্টগ্রামে বেশ কয়েকটি আসনে এবার মনোনয়ন নাও পেতে পারেন আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্যরা। অন্য দিকে নিজেদের ঘাটি হিসেবে আবারো প্রতিষ্ঠিত করতে মরিয়া বিএনপি। সূত্র : এটিএন নিউজ তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্কহীন নেতাকে কোনোভাবেই মনোনয়ন দেয়া হবে না। যারা দলীয় কোন্দল ও অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িত তারাও এবার মনোনয়ন বঞ্চিত হবে। আওয়ামী লীগের হাই কমা- থেকে দীর্ঘদিন ধরে এ বার্তা পেয়ে আসছেন চট্টগ্রামের নেতাকর্মীরা। এসব অভিযোগের সিলমোহর নিয়েও বর্তমান অনেক সাংসদ ও মনোনয়ন প্রত্যাশী শেষ মুহূর্তে থেমে নেই দৌড়ঝাঁপ । অভিযোগ না ব্যর্থতা যেভাবেই দেখা হোক, এসব অভিযোগের আঙুল উঠেছে চট্টগ্রাম আসনের বর্তমান সাংসদ দিদারুল আলম, ১০ আসনের আফসারুল আমিন, ১৪ নজরুল ইসলাম চৌধুরী, ১৫ এর আবু রেজা মোহাম্মদ নেজামদ্দিন নদভী এবং ১৬ আসনের মোস্তাফিজুর চৌধুরীর দিকেই বেশি। আভাস মিলছে তারা রয়েছেন মনোনয়ন ঝুঁকিতে। সে কারণে এসব আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীর ভিড় বেশি। চট্টগ্রামে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোসলেম উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিলো যাদের, তারাই মনোনয়ন পাবার যোগ্যতা রাখে। চট্টগ্রামের ১৬ টি আসন থেকে এবার ২২৫ জন আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তবে সঠিক প্রার্থী দেয়ার ক্ষেত্রে মামনীয় শেখ হাসিনা কোনো ভুল করবেন না বলে বিশ্বাস নেতাকর্মীদের। এক সময় বিএনপির ঘাটি হিসেবে পরিচিত ছিলো বন্দর নগরের চট্টগ্রাম। গায়েবী হামলা-মামলার কারণে দীর্ঘদিন মাঠে থাকতে পারেনি বলে অভিযোগ বিএনপি নেতাদের। তবে কেন্দ্র থেকে নির্বাচনী ট্রেনে উঠার পরপরেই অনেকটা ফুরফুরে মিজাজে তারা। ভোটের হাওয়ায় চাঙা এখন চট্টগ্রাম বিএনপি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ২০ দলীয় জোট, ঐক্যফ্রন্টসহ সকল সিনিয়র নেতাদের সমন্বয়ে সিদ্ধান্ত নেবে কাদের মনোনয়ন দেয়া হবে।

অন্যান্য সংবাদ