প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অন্য জোটে যাবার সিদ্ধান্ত এককভাবে নিবো : এরশাদ

মোঃ ইউসুফ আলী বাচ্চু : প্রাথমিকভাবে ৩০০ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করার কথা উল্লেখ করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ বলেছেন, রাজনীতির কারণে অন্য জোটে যেতে হলে আমি একক সিদ্ধান্ত নিবো। মঙ্গলবার গুলশান ইমানুল কনভেনশন হলে মনোনয়ন প্রত্যাশিদের স্বাক্ষাতকার গ্রহণকালে তিনি এসব কথা বলেন।  এসময় পার্টির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা একযোগে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়ার দাবি তোলেন। তখন এরশাদ বলেন, আমার উপর ছেড়ে দেও। এখনো মামলা আছে আমার নামে।

এরশাদ বলেন, আমি একা সারা দেশ ঘুরেছি। তখন আমার সাথে কেউ ছিলো না। আজ এতো লোক আমার সাথে। জাপার দুখ ঘুচেছে। তিনি বলেন, এবার জাপার সর্ববৃহৎ মনোনয়ন সংগ্রহ হয়েছে। পার্টি সাংগঠনিক রূপ নিয়েছে, যা ধরে রাখতে হবে। জাপা বিলিন হয়নি, তার প্রমান আপনারা এমন কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, চেয়ারম্যান হিসেবে আমাকে কঠিন দায়িত্ব পালন করতে হবে।  সবাইকে প্রার্থী হিসেবে দিতে পারবো না। আমি যাকে যোগ্য ভাববো সে মনোনয়ন পাবেন। আর এটা সবাইকে মেনে নিতে হবে। এদিকে জাপার মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী জোট ও বিএনএ। এই দুটি দল জাপার প্রার্থী হিসেবে যুক্ত হবে বলে জানান এরশাদ। জাতীয় পার্টি বিলিন হয়ে যায়নি। এ জন্য ৩০০ আসনে প্রার্থী আছে কিনা তা দেখতে চেয়েছি। আর আমরা সফল হয়েছি। যোগ করেন তিনি।

সমাপনী বক্তব্যে বিরোধীদলীয় নেতৃ ও জাপার সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ বলেন, আজ আমাদের আনন্দের দিন। অনেক নবীনদের দেখে বেশি খুশি হোলাম। রওশন এরশাদের বক্তব্যের সময় ও পার্টির নেতারা ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়ার জন্য শ্লোগান ধরেন। তখন রওশন এরশাদ চুপ থাকেন, আর হাসেন। তার বক্তব্যে বলেন, জাপার ক্ষমতার সময় যে উন্নয়ন হয়েছে, তা আর কেউ করতে পারে নাই। বঙ্গবন্ধু উন্নয়ন করার সময় পান নাই। তার ধারাবাহিকতা জাতীয় পার্টি ধরে রেখেছিলো। তিনি বলেন, এক এলাকায় একজন প্রার্থী হবেন, বাকী সবাইকে জাপার প্রার্থীকে সমর্থন দিতে হবে।

জাতীয় পার্টির প্রার্থী হবার আগ্রহ বেড়েছে বলেও জানান তিনি।  আমি চাচ্ছি যে নতুন প্রজন্ম আমাদের পার্টিতে আসুক। তারাই এই পার্টিকে আগামী দিনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।আমাদের মাননীয় চেয়ারম্যান বলেছেন পার্টির নোমিনেশন দেখে বোঝা যাচ্ছে জাতীয় পার্টির জনপ্রিয়তা বেড়েছে। এক এলাকায় তো একটি কত আসন দল থেকে যাকে নমিনেশন দেওয়া হবে তার পক্ষে সবাই মিলে কাজ করে তাকে জয়যুক্ত করতে হবে। যাকে যে এলাকা থেকে নয় মনোনয়ন দেওয়া হবে তার পক্ষে সবাই কাজ করবেন। যে আসনগুলো আমরা জোট ভুক্ত হয় পাবো সে আসনগুলোয় আমাদের প্রার্থী পাস করার সম্ভাবনা থাকবে । এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা ৩০০ আসনের প্রার্থী দেওয়ার জন্য স্লোগান দিতে থাকে। আমি বলতে চাই এবারের নির্বাচনে যে প্রার্থী জয় হবে তার উপরে ভিত্তি করেই জাতীয় পার্টি একটি শক্ত ভিতের ওপর অবস্থান করবে। আমি আশা করব নতুন প্রজন্ম পার্টিটাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। মনে রাখতে হবে জাতীয় পার্টি মাটি ও মানুষের পার্টি। গ্রামে গঞ্জে গিয়ে যদি জাতীয় পার্টির কথা বলেন তাহলে মানুষ শুনবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ