Skip to main content

‘তারেক রহমানের স্কাইপি’ ডিকশনারির বাইরের প্রসঙ্গ : কমরেড খালেকুজ্জামান

মো: মারুফুল আলম: বাসদ এর সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান বলেছেন, তারেক রহমান এর স্কাইপি বিষয়ে কে কিভাবে কার সাথে কথা বলবে সেটা তাদের ব্যাপার। ডিকশনারির বাইরের প্রসঙ্গ এটি। এ বিষয় নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হওয়া আমি সঙ্গত মনে করি না। সোমবার ডিবিসি নিউজ এর টকশো’তে সঞ্চালক নবনীতা চৌধুরীর প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, একজনের কথোপকথন বন্ধ করতে গিয়ে টোটাল একটি মিডিয়া বন্ধ করতে নির্বাচন কমিশন পারে না, বিটিআরসিও পারে না এবং সরকারও পারে না, এটি একটি স্বেচ্ছাচার। যদি সত্যিকার অর্থে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চাই, অহেতুক একটি বিতর্ককে উসকে না দিয়ে বিতর্ককে যথাসম্ভব যুক্তিসঙ্গত নিয়ন্ত্রণের পর্যায়ে নিয়ে আসাই করনীয়, যদিও এখন উল্টোটাই দেখা যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমরা ১৯৪৭ সালের পর থেকে আমরা প্রগতির পথে সম্মুখ দিকে তাকিয়ে চলেছি। চলতে চলতে ১৯৭১ সালে এসে দেশ স্বাধীন হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে আমরা উল্টো দিকে মুখ ফিরিয়ে চলতে শুরু করেছি। পরিণতিতে বিগত ১০ টি সংসদ নির্বাচনের পর থেকে আমাদের বিচার ব্যবস্থা, নির্বাচন কমিশন, আমলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে সবকিছুই নানাভাবে বিতর্কিত হয়ে আছে। ফলে এখন কোনো পক্ষেরই উচিত না সেটাকে আরও বিতর্কিত করে তোলা। দলীয় সরকারের অধীনে ছয় বার নির্বাচন হয়েছে, কিন্তু কোনসময়ই ক্ষমতার পরিবর্তন হয়নি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে যে খুব একটা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে তাও না। নির্বাচনের দুটো লক্ষ্য থাকে। একটি নিয়মতান্ত্রিক ক্ষমতা হস্তান্তর আরেকটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। আমাদের দেশে কেউ কোনোসময় গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা করেনি এবং নিয়মতান্ত্রিক ক্ষমতা হস্তান্তরও বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সুষ্ঠু নির্বাচন করার ক্ষমতা আমরা হারিয়ে ফেলেছি। খালেকুজ্জামান আরও বলেন, বিচার ব্যবস্থা বলেন, নির্বাচন কমিশন বলেন, আমলাতন্ত্র বলেন, সবখানে দলীয়করণ বা ক্ষমতাসিনদের সাথে একীভূত হয়ে যাওয়ার নিয়ম হয়ে গেছে। ফলে ক্ষমতা পরিবর্তণ মানে তারা নিজেরাও তাদের পরিবর্তন মনে করে ঝুকির মধ্যে থাকেন। এ অবস্থায় চলার কারণে গণতন্ত্রের উন্নয়ন হয়নি। আমাদের স্বাধীনতার আকুতি-আকাঙ্খার যে অঙ্গিকার ছিলো, তা থেকে সরে আসার ফলে এই অবস্থা তৈরী হয়েছে।

অন্যান্য সংবাদ