প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বেশির ভাগ এমপির নামই আ. লীগের তালিকায়

ডেস্ক রিপোর্ট : আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকায় বর্তমান সংসদ সদস্যদের মধ্যে পরিবর্তন আসছে খুব কমই। কোনো ঝুঁকিতে না যাওয়ার চিন্তা থেকেই দলের বেশির ভাগ বর্তমান এমপিকে এবারও মনোনয়ন দিতে যাচ্ছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। এমনকি আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা এলাকায় যাঁদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে বিভিন্ন সময়ে, সেই এমপিরাও এবার দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছেন। প্রতিপক্ষ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপির প্রার্থীদের মোকাবেলার কৌশল হিসেবে ক্ষমতাসীন দলের বর্তমান এমপিদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান এমপিদের সঙ্গে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সম্পর্ক বিবেচনায় নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী মহল। দলের উচ্চপর্যায়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে জাতীয় পার্টি সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট বেঁধেই নির্বাচনে যাচ্ছে দলটি। তবে এখনো আসনের বিষয়ে সুরাহা হয়নি। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ গত শনিবার আওয়ামী লীগ সভাপতিকে চিঠি দিয়ে আসন বণ্টনের জন্য বসার সময় চেয়েছেন এবং বৈঠকটি শিগগিরই হতে পারে বলে দলটি মনে করছে। জাতীয় পার্টি ১০০ আসন দাবি করে এলেও বৈঠকে উপস্থাপন করার জন্য ৫০ আসনে প্রার্থীর তালিকাও চূড়ান্ত করেছে বলে দলের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্রে জানা গেছে। সূত্র মতে, ওই ৫০ জনের মধ্যে ১৬ জনই নতুন। চিত্রনায়ক সোহেল রানার নামও তালিকায় রয়েছে, তবে কোনো আসন দেখানো হয়নি। আওয়ামী লীগের নিজস্ব প্রার্থী তালিকা পূর্ণাঙ্গ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার থেকে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য মহাজোট এবং ১৪ দলের শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টনের আলোচনা। এ বিষয়টি ঠিক করার পরপরই আওয়ামী লীগের প্রার্থীদেরে নাম ঘোষণা করা হবে। যেকোনো মুহূর্তে এই তালিকা ঘোষণা করা হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

দিনাজপুর-১ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল, যশোর-৪ আসনের রণজিত কুমার রায়, বরগুনা-১ আসনের ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু এবং বরিশাল-৪ আসনের পংকজ দেবনাথকে এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে নিজ দলেরই নেতাকর্মীরা। পুলিশের রিপোর্টে মাদক কারবারের অভিযোগ উঠে আসে রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে। তাঁরা পাঁচজনই আবারও দলের মনোনয়ন পাচ্ছেন বলে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে দুর্নীতি, অনিয়ম, দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, শারীরিক অসুস্থতাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে আওয়ামী লীগের ১৫ থেকে ২০ জনের মতো এমপির বিরুদ্ধে। তাঁদের মধ্যে আছেন দলের দুই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক (ঢাকা-১৩) ও আবদুর রহমান (ফরিদপুর-১) এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম (মাদারীপুর-৩) ও বি এম মোজাম্মেল হক (শরীয়তপুর-১); বর্তমান এমপি মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম আবদুল ওয়াহহাব (মাগুরা-১), অ্যাডভোকেট সোহরাব উদ্দিন (কিশোরগঞ্জ-২), ইফতিখার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু (নেত্রকোনা-৩), কর্নেল (অব.) শওকত আলী (শরীয়তপুর-২), আবদুর রহমান বদি (কক্সবাজার-৪) প্রমুখ। তাঁদের মধ্যে কর্নেল (অব.) শওকত আলী অসুস্থ। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা জানান, এই এমপিরা এবার দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছেন না। এ ছাড়া চট্টগ্রাম-৪ আসনের এমপি দিদারুল আলমও এবার মনোনয়ন বঞ্চিত হচ্ছেন।

ওই নেতারা আরো জানান, এবার নতুন মুখ হিসেবে মনোনয়ন পাচ্ছেন সালমান এফ রহমান (ঢাকা-১), ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজা (ঢাকা-১৩), কাজী সিরাজুল ইসলাম (ফরিদপুর-১), আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ (মাদারীপুর-৩), আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ইকবাল হোসেন অপু (শরীয়তপুর-১), প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ (কিশোরগঞ্জ-২), আওয়ামী লীগের সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল (নেত্রকোনা-৩), এ কে এম এনামুল হক শামীম (শরীয়তপুর-২), শাহীন চৌধুরী (কক্সবাজার-৪) ও চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র মনজুর আলম (চট্টগ্রাম-৪)।

দলের সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, আরো যাঁরা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাচ্ছেন তাঁরা হলেন টিপু মুনশি (রংপুর-৪), ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী (রংপুর-৬), অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া (গাইবান্ধা-৫), আবদুল মান্নান (বগুড়া-১), সাধন চন্দ্র মজুমদার (নওগাঁ-১), ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক (নওগাঁ-৪), এনামুল হক (রাজশাহী-৪), জুনাইদ আহেমদ পলক (নাটোর-৩), মাহবুবউল আলম হানিফ (কুষ্টিয়া-৩), সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (চুয়াডাঙ্গা-১), আলী আজগর টগর (চুয়াডাঙ্গা-২), কাজী নাবিল আহমেদ (যশোর-৩), বর্তমান স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য (যশোর-৫), ইসমত আরা সাদেক (যশোর-৬), বীরেন শিকদার (মাগুরা-২), আবদুস সালাম মুর্শেদী (খুলনা-৪), অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু (বরগুনা-১), তোফায়েল আহমেদ (ভোলা-১), নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (ভোলা-৩), পংকজ দেবনাথ (বরিশাল-৪), আমির হোসেন আমু (ঝালকাঠি-২), সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (কিশোরগঞ্জ-১), নাজমুল হাসান পাপন (কিশোরগঞ্জ-৬), মৃণাল কান্তি দাস (মুন্সীগঞ্জ-৩), আসাদুজ্জামান খান কামাল (ঢাকা-১২), আ ক ম মোজাম্মেল হক (গাজীপুর-১), নুরুল মজিদ হুমায়ুন (নরসিংদী-৪), ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ফরিদপুর-৩), কাজী জাফর উল্যাহ (ফরিদপুর-৪), ফারুক খান (গোপালগঞ্জ-১), শেখ ফজলুল করিম সেলিম (গোপালগঞ্জ-২), শেখ হাসিনা (গোপালগঞ্জ-৩), নাহিম রাজ্জাক (শরীয়তপুর-৩), এম এ মান্নান (সুনামগঞ্জ-৩), ইমরান আহমেদ (সিলেট-৪), অ্যাডভোকেট আনিসুল হক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪), অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু (কুমিল্লা-৫), মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (চাঁদপুর-২) ও ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন (চট্টগ্রাম-১)।

এদিকে আওয়ামী লীগের যেসব নেতা মনোনয়ন পাচ্ছেন না বলে নানাভাবে জেনেছেন তাঁদের অনেকেই গতকাল দিনভর দফায় দফায় দলের দুই শীর্ষ নেতার সঙ্গে দেখা করে তাঁদের বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। আবার ওই নেতাদের পক্ষে দলের অন্য নেতারাও গণভবনে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে এবং দলীয় কার্যালয়ে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করে দেনদরবার করেছেন।

৫০ আসনে প্রার্থী বাছাই এরশাদের : জাপার একটি সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের কাছে ১০০ আসন দাবি করে এলেও সর্বশেষ ৫০টি আসনের জন্য গো ধরেছেন দলের প্রধান এরশাদ। আওয়ামী লীগ সভাপতির সঙ্গে বৈঠকে উপস্থাপন করার জন্য ৫০ আসনে প্রার্থীর একটি তালিকাও এরশাদ নিজেই তৈরি করছেন। রওশন এরশাদ ও জি এম কাদেরকে এ বিষয়ে রাখা হয়েছে অন্ধকারে। আসন বণ্টন নিয়ে দলের সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ ও কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের মধ্যে বিরোধ আরো চাঙ্গা হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকে এরশাদ কৌশলী অবস্থান নিয়েছেন। তবে জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য মশিউর রহমান রাঙ্গার সঙ্গে এরশাদের সম্পর্ক ভালো না থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাঙ্গার সুসম্পর্কের কারণে এরশাদ আসন ভাগাভাগির দেনদরবারে রাঙ্গাকে ব্যবহার করছেন বলেও সূত্রটি আভাস দিয়েছে।

জাতীয় পার্টির ৫০ আসন চূড়ান্ত করার বিষয় জানতে চাইলে পাটির কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেন, ‘আমাদের এখনো প্রার্থীর সাক্ষাৎকার হয়নি, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। আমাদের পার্টির চেয়ারম্যান সব কিছু চূড়ান্ত করবেন।’

২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিক হয়ে নির্বাচন করে জাপা ২৯টি আসন পেয়েছিল। ওই নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ৪৯টি আসনে লড়েছিল। ২০১৪ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টি আসন পায় ৩৪টি।

জাপার একটি সূত্র মতে, ১০০ আসনের দাবি তুললেও শেষ পর্যন্ত দলটিকে ৫০ আসন নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে। এরই মধ্যে এ নিয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে কয়েক দফা অনানুষ্ঠানিক বৈঠক হয়েছে এবং আওয়ামী লীগ সর্বশেষ ৪৫ আসনে জাপাকে ছাড়া দিতে রাজি হয়েছে। তবে জাতীয় পার্টি এখন অতিরিক্ত পাঁচটি আসন নিয়ে দর-কষাকষি করছে। জাতীয় পার্টির একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য জানান, এরশাদ শেষ পর্যন্ত যে তালিকা উপস্থাপন করবেন সেটাই চূড়ান্ত।

এরশাদের করা তালিকা থেকে বেশ কয়েকজনের নাম জানা গেছে জাপার নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে। তাদের মধ্যে আছেন এইচ এম এরশাদ রংপুর-৪, ঢাকা-১৭ ও নারায়ণগঞ্জে-১, রওশন এরশাদ ময়মনসিং-৪, জিএম কাদের লালমনিরহাট-৩ ও ঢাকা -১৮, এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার পটুয়াখালী-১, তাঁর স্ত্রী নাসরিন জাহান রত্না বরিশাল-৬ আসনে প্রার্থী হতে পারেন। এ ছাড়া লালমনিরহাট-১ আসনে নতুন প্রার্থী মেজর (অব.) খালেদ আখতার, লালমনিরহাট-২ নতুন প্রার্থী রোকনউদ্দিন বাবুল, জামালপুর-২ নতুন প্রার্থী মোস্তফা আল মাহমুদ, টাঙ্গাইল-৫ নতুন প্রার্থী পীরজাদা শফিউল আলম মুনির ও খুলনা-৫ সুনীল শুভ রায়।

ওই তালিকায় আরো আছেন রংপুর-৫ আসনে নতুন প্রার্থী শিল্পপতি ফকর-উজ-জামান, মৌলভীবাজার-২ আসনে জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) থেকে দলে ফিরে আসা সাবেক এমপি নবাব আলী আব্বাস, জামালপুর-৪ আসনে বর্তমান এমপি মামুনুর রশিদ জোয়ার্দারের বদলে নতুন মুখ জাতীয় ছাত্রসমাজের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোখলেসুর রহমান বতু, কুড়িগ্রাম-২ আসনে সাবেক এমপি প্রয়াত তাজুল ইসলামের ছোট ভাই নতুন প্রার্থী শফিকুল ইসলাম চৌধুরী, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে প্রয়াত এমপি মইদুল ইসলামের শূন্য আসনে উপনির্বাচনে জিতে আসা এমপি ড. আক্কাস আলী, নীলফামারী-৪ আসনে বর্তমান এমপি শওকত চৌধুরী, রংপুর-১ আসনে মশিউর রহমান রাঙ্গা, কুড়িগ্রাম-১ আসনে এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান।

এ ছাড়া বগুড়া-২ শরিফুল ইসলাম জিন্না, বগুড়া-৩ নুরুল ইসলাম তালুকদার, বগুড়া-৬ নুরুল ইসলাম ওমর, বগুড়া-৭ আলতাফ আলী, ময়মনসিংহ-৬ সালাউদ্দিন আহমেদ মুক্তি, ময়মনসিংহ-৭ যুদ্ধাপরাধ মামলায় কারাগারে থাকা এমপি এম এ হান্নানের পরিবর্তে নতুন প্রার্থী ডা. কে আর ইসলাম, ময়মনসিং-৮ ফকরুল ইমাম, কিশোরগঞ্জ-৩ মুজিবুল হক চুন্নু, ঢাকা-১ সালমা ইসলাম, ঢাকা-৪ সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, ঢাকা-৬ কাজী ফিরোজ রশিদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ লিয়াকত হোসেন খোকা, নারায়ণগঞ্জ-৫ সেলিম ওসমান, সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজুলুর রহমান, সিলেট-৫ সেলিমউদ্দিন, হবিগঞ্জ-১ আবদুল মুনিম চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ জিয়াউল হক, কুমিল্লা-২ আমির হোসেন ইউসুফ, কুমিল্লা-৮ নুরুল ইসলাম মিলন, লক্ষ্মীপুর-২ মোহাম্মাদ নোমান,, চট্টগ্রাম-৫ আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, চট্টগ্রাম-৯ জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, কক্সবাজার-১ মোহাম্মাদ ইলিয়াস, ও গাইবান্ধা-১ আসনে শামীম পাটোয়ারী, কুমিল্লা-৩ নতুন প্রার্থী আক্তার হোসেন ও কুমিল্লা-৪ আসনে ইকবাল হোসেন রাজুকে বাছাই করা হয়েছে।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টির নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক খেলাফত মজলিশের তিন ও ইসলামী ফ্রন্টের একজন প্রার্থীর নাম তালিকায় রাখা হয়েছে। খেলাফত মজলিশের নতুন প্রার্থী মুফতি শরাফত হোসেন ফরিদপুর-১, মাওলানা জালালউদ্দিন শরীয়তপুর-১ ও মুফতি হাবিবুর রহমানকে ময়মনসিংহ-৫ আসনের প্রার্থী দেখানো হয়েছে। আসন উল্লেখ করা না হলেও ইসলামী ফ্রন্টের মাওলানা আবদুল মতিনের নাম রাখা হয়েছে। সূত্র : কালের কন্ঠ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ