প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খালেদা জিয়া ও তারেকের ছবি পোস্টারে ব্যবহার করা যাবে
তারেকের কার্যক্রম আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে না: ইসি সচিব

সাইদ রিপন: নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানিয়েছেন, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে লন্ডন থেকে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেয়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কার্যক্রম নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে না। তাছাড়া বিএনপি খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি পোস্টারে ব্যবহার করতে পারবে। এটা সম্পূর্ণ তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত। গতকাল সোমবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বৈঠক শেষে সচিব একথা বলেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনর (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে বৈঠকে অন্যান্য কমিশনার উপস্থিত ছিলেন।

ইসি সচিব বলেন, একাধিক মামলার দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি তারেক রহমানের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এমপি পদে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার ব্যাপারে কমিশনের কিছুই করার নেই। আওয়ামী লীগ তারেক রহমানকে নিয়ে যে অভিযোগ দিয়ে গেছে সেটা নিয়ে ইসি সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের অনলাইনে সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তারেক রহমান। আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী তিনি দেশে নেই। তাই আচরণ বিধিমালা উনার জন্য প্রযোজ্য হবে না।

ইসি সচিব আরো বলেন, কিন্তু যেহেতু হাইকোর্টের একটি নির্দেশনা রয়েছে, সেই নির্দেশনা পালন করা সবার দায়িত্ব। গত রোরবার থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তারেক রহমান। এটিকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন দাবি করে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধিদল ওইদিনই বিকেলে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ করেন। এর আগেই অবশ্য নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেছেন, তারেক রহমানের বিষয়ে কোনো প্রমাণসহ অভিযোগ পেলে কমিশন বৈঠক করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।

বিএনপির গ্রেফতার করা নেতাকর্মীদের তালিকা সম্পর্কে তিনি বলেন, সেই তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে যে, মূলত তফসিল ঘটনার আগেই কিছু কিছু মামলা হয়েছে। কিছু নেতাকর্মীর নাম রয়েছে। নির্বাচন কমিশন মনে করে পূর্ববর্তী ঘটনার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

তফসিল ঘোষণার পরও নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা বিষয়ে সচিব বলেন, ৮ তারিখের পরে গ্রেফতারের যে তালিকা দেয়া হয়েছে সেখানে সুনির্দিষ্ট কার কি বিষয় রয়েছে সেটা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মনে হয়েছে সেই ঘটনাগুলোও পূর্ণাঙ্গ বর্ণনা না করায় এ বিষয়ে কমিশন কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি।

নয়াপল্টনে বিএনপির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার সময় দলটির কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষের প্রতিবেদন ইসি পেয়েছে জানিয়ে ইসি সচিব বলেছেন, পুলিশ প্রধানের প্রতিবেদন দেখে ইসি মনে করে, সেখানে ফৌজদারি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। সুতরাং এ ব্যাপারে সে অনুযায়ী তদন্তসহ সব কার্যক্রম চলতে কোনও বাধা নেই। তবে এ ক্ষেত্রে কমিশন বলেছে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনও নিরাপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সেজন্য পুলিশ প্রধানকে নির্দেশ দেবে ইসি। সম্পাদনা: হুমায়ুন কবির খোকন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ