Skip to main content

ইসির বেঁধে দেওয়া সময়েও অপসারণ হয়নি পোস্টার-ব্যানার

শাকিল আহমেদ: নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী ১৮ নভেম্বর রাত ১২টার মধ্যে সব নির্বাচনী প্রচার সামগ্রী অপসারণের নির্দেশ থাকলেও রাজধানীর বেশির ভাগ এলাকা থেকে এখনও সরানো হয়নি পোস্টার-ব্যানারসহ অন্যান্য নির্বাচনী প্রচার সামগ্রী। তবে এসব প্রচারণা অপসারণে জোরালোভাবে মাঠে নেমেছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। তফসিল ঘোষণার পর থেকে সোমবার পর্যন্ত প্রায় চার লক্ষাধিক ব্যানার পোস্টার, ফেষ্টুন, তোরণসহ নির্বাচনী প্রচার সামগ্রী অপসারণ করেছে ঢাকার দুই (উত্তর-দক্ষিণ) সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য বিভাগ। নির্বাচন কমিশনের পরবর্তি নিদের্শনার আগে কেউ এধরনের প্রচারণা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ১৮ নভেম্বর রাত ১২টার মধ্যে সকল প্রচার সামগ্রী নিজ উদ্যোগে এবং খরচে অপসারণ করতে হবে। এ ছাড়া এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাসহ বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ প্রতিপালন করা না হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এখনো ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার দেখা গেছে। তবে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য অপসারণ বিভাগ সোমবার সকাল থেকে এসব পোস্টার অপসারণের কাজ শুরু করেছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক খন্দকার মিল্লাতুল ইসলাম সোমবার রাজধানীর সুরিটোলা, ইংলিশ রোড পুরানা পল্টন, আজিমপুর, খিলগাাঁও, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় অপসারণের কাজ শুরু করেছেন। এ বিষয়ে খন্দকার মিল্লাতুল ইসলাম বলেন, গতকাল থেকে আমরা ডিএসসিসির ৫৭টি ওয়ার্ডে একযোগে অপসারণ কাজ শুরু করেছি। এপর্যন্ত প্রায় দুই লক্ষাধিক ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টারসহ নির্বাচনী প্রচার সামগ্রী অপসারণ করেছি। অপসারণ কাজে দুই হাজার পরিচ্ছন্ন কর্মী রয়েছে। এছাড়া ৫টি হাইড্রলিক লেডার,৭টি পানির গাড়ি ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিসহ প্রায় সব বিভাগের কর্মতর্কারা মাঠে রয়েছে। এদিকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এম এ রাজ্জাক বলেন, নির্বাচনী পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন অপসারণের কাজ ইতোমধ্যে আমারা শুরু করেছি। পাঁচ অঞ্চলে আমাদের টিম কাজ করছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে এপর্যন্ত ডিএনসিসি এলাকায় প্রায় দুই লাখ নির্বাচনি প্রচারণা সামগ্রী অপসারণ করা হয়েছে। ১০ তারিখ প্রতীক বরাদ্দের আগে যদি নতুন করে কোন প্রচারণা করে তা হলে ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। উল্লেখ্য, তফসিল অনুযায়ী আগামী ৩০ ডিসেম্বর সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নের শেষ সময় ২৮ নভেম্বর, যাচাই-বাছাই ২ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ৯ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ১০ ডিসেম্বর। এদিন থেকে প্রার্থীরা প্রতীক নিয়ে প্রচার করতে পারবেন। সম্পাদনা: শাহীন চৌধুরী

অন্যান্য সংবাদ