প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কীভাবে সাক্ষাৎকার নেবে, সেটি দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় : ফখরুল

রাইজিংবিডি : বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার কীভাবে নেওয়া হবে, সেটি দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণকালে ভিডিও করফারেন্সের মাধ্যমে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এতে অংশ নেওয়ায় নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

এ বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘একজন দণ্ডিত, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি দলীয় ফোরামে এ ধরনের বক্তব্য দিতে পারে কি না, সেটা আমি জাতির কাছে বলব। জাতির কাছে এর বিচার চাইছি। আর এ বিষয়ে ইলেকশন কমিশনেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

ওবায়দুল কাদের কথার পরিপ্রেক্ষিতে রোববার সন্ধ্যায় বিএনপির মহাসচিবের কাছ থেকে এ ধরনের মন্তব্য এলো।

রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রথম দিন রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিয়েছে দলটি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘ইসি নিজেরাই আচরণ ভঙ্গ করছেন। আমাদের দলের সাক্ষাৎকার কীভাবে নেব, এটা আমাদের সিদ্ধান্ত।’

মনোনয়নপ্রত্যাশীদের আপনারা কী নির্দেশনা দিচ্ছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে যেভাবে প্রস্তুতি দরকার সেভাবে প্রস্তুতি নিন। কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। সজাগ থাকতে হবে। একতরফা নির্বাচনের জন্য যেন কেন্দ্র দখলে নিতে না পারে।’

তিনি জানান, ‘প্রথম দিনে রংপুর বিভাগে ৩৩ আসনে ১৫৮ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। রাজশাহী বিভাগে ৪১ আসনে ৩৬৮ জনের সাক্ষাৎকার চলছে।’

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও খালেদা জিয়ার মুক্তির অংশ হিসেবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে গেছে, জানিয়ে জোটটির মুখপাত্র মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সেই জন্য দলের আনুষ্ঠানিকতার কাজগুলো করছি। আজ আমাদের দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষৎকার গ্রহণ শুরু হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করছি না, অবাধ সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যে নির্বাচনের জন্য আমরা দীর্ঘকাল আন্দোলন সংগ্রাম করছি। সরকার একতরফা, একদলীয় নির্বাচন করার পাঁয়তারা করে যাচ্ছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সমতল ক্ষেত্র এখনো তৈরি হয়নি। সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়নি। মিডিয়া নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে না। বিটিভি, সংবাদ সংস্থা, বেসরকারি গণমাধ্যমগুলো সরকারের তথাকথিত উন্নয়নগুলো প্রচার করছে। নিরপেক্ষতা বজায় রাখছে না। গ্রেপ্তার বন্ধ হয়নি। বার বার বলার পরও গ্রেপ্তার চলছে। দুর্ভাগ্য যে, এগুলো সুষ্ঠু নির্বাচনের ক্ষেত্রে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে।’

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ