প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ছাত্র-তরুণ-যুবকদের সংসদের সাথে সেতু বন্ধন স্থাপন হোক : মেহেদী হাসান নোমান

নাটোর : ‘আমি যদি সংসদ সদস্য হই তাহলে আমার প্রথম কাজ হবে ছাত্রদের জন্য একটি ছাত্র মন্ত্রনালয়ের প্রস্তাব করা। যা কেবল ছাত্রদের কল্যাণকর। যেমন, গরীব ছাত্র চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, প্রত্যেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটা ডিপার্টমেন্টে ৫/১০ জন এ+ গরীব শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ করে দেয়া, দেশের প্রতিটা কোম্পানিতে ২০ /৩০ জন ছাত্রের পার্টটাইম জবের ব্যবস্থা করা, এবং গরীব শিক্ষার্থীরা যারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাবার পরেও অর্থের অভাবে ভর্তি হতে পারে না তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা তৈরি করা।’ কথাগুলো বলছিলেন এক তরুণ রাজনৈতিক স্বপ্নদ্রষ্টা।

তরুণ মেধাবী ছাত্র নেতা মেহেদী হাসান নোমান, মাত্র ২৭ বছর বয়সেই হাল ধরতে চান আগামীর বাংলাদেশের। হতে চান নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনের জনপ্রতিনিধি। দেশ ও মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে অংশ নিতে প্রস্তুত হয়েছেন আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। গত ১২ নভেম্বর একটি নির্দিষ্ট দলের হয়ে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন এই তরুণ নেতা। এবং দলিয় নমিনেশন পাবেন বলে তিনি শতভাগ আশাবাদি।

রাজনীতিতে আগামীর পরিকল্পনা নিয়ে নোমান জানান , ‘সংসদীয় নির্বাচনে ছাত্র তরুণ-যুবকদের জন্য ২০% আসন বরাদ্দ চাই। সংসদে তরুণদের জায়গা দেয়া হোক। কারন দেশে ৪০ % ভোট ব্যাংক যা প্রায় ৪ কোটি এই ছাত্র-তরুণ-যুবকরাই। আমি চাই ছাত্র-তরুণ-যুবকদের সাথে এ দেশের এবং সংসদের একটি সেতু বন্ধন হোক। অথচ, তাদের নিয়ে কথা বলার কেউ নেই! আমি মনে করি ছাত্র-তরুণ- যুবকরা পার্লামেন্টের সদস্য হয়ে দেশ পরিচালনায় সক্ষম হবে। দেশকে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

মেহেদী হাসান নোমান (২৭)পড়া-লেখা করেছেন বাবা আলহাজ্ব শতকত ওসমানের গড়া ‘রয়না ভরট সরকারবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়’ থেকে (তার বাড়ীর নামেই নামকরণ)। এরপর দেশের প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি ‘নর্দান’ থেকে এলএলবি পরবর্তীতে বিপিপি ইউনিভার্সিটি, লন্ডন থেকে দ্বিতীয় ব্রিটিশ এলএলবি ডিগ্রীলাভ করেছেন। শিগগিরই লন্ডনে ব্যারিস্টারি শেষ করার ইচ্ছে রয়েছে তার। এই মেধাবী ছাত্র, ভাইস প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ব্রিটিশ ল স্টুডেন্ট এ্যালিয়েন্স এবং ২০০৯/ ১০ এর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র দলের প্রতিষ্ঠাতা আন্দোলনের কর্মী ফাউন্ডেশন মেম্বারের অন্যতম মো: মেহেদী হাসান (নোমান)।

নোমান বলেন, ছোটবেলা থেকে আমি দেখে এসেছি বাপ-চাচারা, দাদা-নানা সামাজিক কাজ করতেন। মানুষের সেবা করার রীতিটা আসলে পরিবারের কাছ থেকেই শিখেছি। আর রাজনীতিক দলের হয়ে জনগনের সেবা করা, নেতা হওয়া, নেত্রীত্ব দেয়ার ইচ্ছাটা স্কুল-কলেজে পড়ার সময় থেকেই।

এ ছাড়াও ছাত্রদের বিরুদ্ধে সকল অত্যাচারের প্রতিবাদ করা। তাদের অধিকার নিয়ে কাজ করাই হবে আমার লক্ষ্য। পাশাপাশি নিজ এলাকার জনসাধারণের জন্য উন্নয়ন মূলক কাজ করা। আমি বিশ্বাস করি এদেশের শান্তি, শৃংখলা আবার ফিরিয়ে আনবে এই তরুণরাই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ