প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মঠবাড়িয়ার বলেশ্বর নদে অবৈধ জালের ছড়াছড়ি, প্রশাসন নিরব

খেলাফত হোসেন, পিরোজপুর : পিরোজপুরে মঠবাড়িয়ার বলেশ্বর নদে চলছে অবৈধ বেন্দী জাল (বাঁধা), কারেন্ট জালসহ বিভিন্ন জালের অপব্যবহার। মৎস্য আইন অমান্য করে অবৈধ ভাবে নির্বিচারে কারেন্ট জাল ব্যবহার করে বিভিন্ন জাতের ডিমওয়ালা ও জাটকা ইলিশ মাছ গুলো নিধন চলছে।

মৎস্য আইনে কারেন্ট জাল, বাঁধাজাল, চটজাল, নেটজালসহ ছোট ফাসের জাল ব্যবহার করে পোনা মাছ ও ডিমওয়ালা মাছ, জাটকা ইলিশ মাছ নিধন নিষিদ্ধ থাকলেও আইন কে অমান্য করে নিধনের মহোৎসব চলছে বলেশ্বর নদীতে। অসাধু মৎস্যজীবিরা এসমস্ত পোনা ও গুড়া ডিমওয়ালা জাটকা ইলিশ মাছ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিভিন্ন বাজারে অবৈধ ভাবে বিক্রি করছে। সে কারনে মাছের বংশবৃদ্ধি হতে পারছেনা।

প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রতিযোগিতা করে অধিকাংশ জেলেরা অবৈধ জাল ব্যাবহার করলেও অজ্ঞাত কারনে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না। বলেশ^রনদ তীরবর্তি পোনার ঠোডা, তুলাতলা, ছোটমাছুয়া, কাটাখাল, মাঝেরখাল, বড়মাছুয়া, নিজামিয়া, সাংগ্রাইল, সাপলেজা, ভাইজোড়া, জলাঘাট, খেতাছিড়াসহ বিভিন্ন জেলে আস্থানায় সরেজমিনে গিয়ে এ সকল অবৈধ জাল দেখা গেছে।

এলাকার সচেতন মহল অভিযোগ করেন, জেলেরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই নির্ধিদায় অবৈধভাবে মাছ শিকার করছেন। যে কারনে তারা আইওয়াশ ছাড়া কার্যকরী ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। তারা মনে করেন, মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধিতে সুষ্ঠ পরিকল্পনা গ্রহণ করার পাশাপাশি মৎস্য আইনের কঠোর প্রয়োগ করা একান্ত প্রয়োজন।

এ ব্যাপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক ম্যানেজ প্রক্রিয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, অবরোধের সময় আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে যে অর্থ প্রয়োজন তা আমাদের কাছে নেই। যে কারনে ইচ্ছা থাকলেও কোন কিছু করা সম্ভব হচ্ছে না। উর্দ্ধতণ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে শিঘ্রই কার্যকরী ব্যাবস্থা গ্রহণ করবো।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ