Skip to main content

বিএনপি সন্ত্রাসী সংগঠন হলে বাংলাদেশের সবাই সন্ত্রাসী : আহমেদ আযম খান

মো: মারুফুল আলম : বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, ওবায়দুল কাদের এর ভাষায় বিএনপি একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। তাহলে কি সারা বাংলাদেশর মানুষ সন্ত্রাসী? বিএনপি যেখানেই সমাবেশ করে, দেখা যায় লাখ লাখ মানুষের সমাগম। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি যে, বিএনপির সঙ্গে ৩০০ টি নির্বাচনি এলাকায় তারা সমাবেশ দিক, দেখা যাবে, সরকারি জোটের চেয়ে বিএনপির সমাবেশে ডাবল এরও বেশি জনসমাগম হয়েছে। শনিবার নিউজ২৪ এর ‘জনতন্ত্র গণতন্ত্র’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, সেদিন দেখলাম, আওয়ামী লীগ রাস্তা বন্ধ করে ৫ দিন ব্যাপী উৎসবের মধ্য দিয়ে নমিনেশন ফরম বিক্রি করলো, বিএনপি যখন উৎসবের আমেজে দুইদিন বিক্রি করলো নির্বাচন কমিশন সাথেসাথে একটি বিধি জারি করে দিলেন। এরপরের দিনই পুলিশ এসে হামলা করল্।ো এখন পুলিশ বলছে, এর দায় বিএনপিকে নিতে হবে। কেন? বিএনপি কি আওয়ামী লীগের অফিসে গিয়ে হামলা করেছে? বা পুলিশ কমিশনারের অফিসে হামলা করেছে? বিএনপি কেন এই দায়টা নেবে? পুলিশ লাখ লাখ মানুষের মিছিলের উপর দিয়ে গাড়িটা উঠিয়ে দিয়েছে। তাছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশন কোনদিন বিএনপির অফিসে যায় না। সেদিন কেন বাংলাদেশ টেলিভিশন সকাল থেকে বিএনপি অফিসের সামনে? আযম খান বলেন, আমরা নির্বাচনকালীন সরকার চেয়েছিলাম, সরকার দিলেন না। বললেন, এটাই নির্বাচনকালীন সরকার। সরকারে যারা আছেন শুধু ডে টু ডে ওয়ার্ক করবেন, আর কোন কথা বলবেন না। এখন দেখি মন্ত্রীরা ফ্ল্যাগ নিয়েও এলাকায় যান। মন্ত্রীরা ব্রিফিং করেন। দেখেন, শুধু ঢাকায় না, সারা বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত সরকারি দলের আর তাদের জোটের ব্যানারে ছেয়ে আছে। বিএনপির কি একটি ব্যানার আছে? কোথায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড? এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির একটি অফিস খোলা নেই। আর প্রত্যেকটি নির্বাচনী এলাকায় প্রতিদিন মিছিলে মিছিলে একাকার সরকার এবং সরকারি জোট। বিএনপি নির্বাচনে থাকুক এটা সরকার কোনভাবেই চায় না। তারা ৫ জানুয়ারির মতো এবারও ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চায় বলেই এ ধরনের কথা বলে থাকেন। আযম খান আরও বলেন, গত পহেলা নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপ হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত অসংখ্য মামলা হয়েছে। আমার নির্বাচনি এলাকায় প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর একটা নেতা কর্মী ঘরে নেই; সব জেলে। পরের পর্যায়ে যারা আছে, প্রায় আড়াইশ’র মত পলাতক। এই অবস্থার মধ্যেও তারা বিএনপিকে এত ভয় পাচ্ছেন, এখন নতুন করে আবার বলা হচ্ছে ‘বিএনপি সন্ত্রাসী, কামাল হোসেনকে বর্ম হিসেবে বেছে নিয়েছে বিএনপি। এসব একেবারেই অর্থহীন কথা। তিনি বলেন, ‘ঠিক আছে, ধরে নিলাম বিএনপি সন্ত্রাসী। তাহলে বিএনপিকে কেউ ভোট দেয়ার কথা না। ঠিক আছে ওদেরকে প্রচার করতে দেন। ব্যানার লাগাতে দেন। অফিস খুলতে দেন। এত ভয় পাওয়ার কী আছে’ প্রশ্ন আযম খানের।

অন্যান্য সংবাদ