প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যা জাতির জন্য অশনি সংকেত : ডা. তাজুল ইসলাম

আমিরুল ইসলাম : গভীর হতাশাবোধ থেকে শিক্ষার্থীরা আত্মহত্যা করছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় মানসিক ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. তাজুল ইসলাম। শিক্ষাব্যবস্থায় দলীয়করণ, হতাশা ও  বঞ্চনার কারণে শিক্ষার্থীরা আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে বলে তিনি মনে করেন। এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আরও বলেন, শিক্ষকরা তাদের শিক্ষার্থীদের সাথে ভালো আচরণ করছেন না, যা শিক্ষার্থীর ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। অনেক ক্ষেত্রে যৌন নিপীড়ণের মত দুঃখজনক ঘটনাও আত্মহত্যার কারণ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে রাজনৈতিক কোন্দলের কারণে ছাত্ররা পড়াশোনার সুষ্ঠু পরিবেশ পাচ্ছে না। অনেক শিক্ষার্থী রাজনীতিসহ বিভিন্ন কর্মকা-ে অতিমাত্রায় জড়িত হয়ে যাওয়ার ফলে তারা পড়াশোনায় গভীর মনোযোগ দিতে পারছে না। কর্মক্ষেত্রে যোগ দিতে পারছে না বলে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে অনেকে। যার শেষ পরিণতি হিসেবে অত্যন্ত ঘৃণ্য জেনেও মৃত্যুর পথ বেছে নিচ্ছে। গত সপ্তাহে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনজন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। এ বছওে মোট আত্মহত্যা করেছেন সাতজন। এ বিষয়টি উল্লেখ করে ডা. তাজুল ইসলাম বলেন, দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ, যেখানে আলোকিত মানুষ গড়ে তোলা হয় সেখানে পড়াশোনা করতে যেয়ে অনেক মেধাবী তার জীবনকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করছে, বেঁছে নিচ্ছে জীবনের অন্তিম পরিণতির পথ। এটা কোনোভাবোই মেনে নেওয়ার মতো না। এটা একটা জাতির জন্য হতাশাজনক ও অশনি সংকেত বহন করে বলে তিনি মনে করেন।

এ থেকে কীভাবে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সাথে শিক্ষকদের আচরণের একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরি করতে হবে। এ বিষয়ে আইন প্রণয়ন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের সাথে শিক্ষকদের আচরণের সুুনির্দিষ্ট কোড অব কনডাক্ট লিপিবদ্ধ করতে হবে, যা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুসম্পর্ক বহন করবে। শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার প্রবণতা কমতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ