Skip to main content

যোগ্যতা থাকলেও নারীদের মনোনয়ন দিতে চায় না রাজনৈতিক দলগুলো

সাজিয়া আক্তার : জাতীয় নির্বাচনে পুরুষদের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনয়নপত্র কিনেছেন উল্লেখযোগ্য নারী। তবে শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। কারণ, সবশেষ নির্বাচনেও নারী প্রার্থীর হার ছিল ৫ শতাংশের কিছু বেশি। মনোনয়ন প্রত্যাশী নারীদের অভিযোগ, যোগ্যতা থাকার পরও নানান অজুহাতে বঞ্চিত করা হয় তাদের। বিশ্লেষকরা বলছেন, এ জন্য নীতি নির্ধারকদের মানসিকতার বদল দরকার। সূত্র : চ্যানেল ২৪রাজনৈতিক দলগুলোর বিভিন্ন পদে নারী ২ থেকে ৪ শতাংশ। জাতীয় নির্বাচনেও নারীরা মনোনয়ন পান হাতে গোনা কয়েকজন। দেশের ইতিহাসে প্রথম জাতীয় নির্বাচন হয় ১৯৭৩ সালে। যেখানে সাধারণ আসনে কোনো নারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। তবে ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে নারী প্রার্থীর হার ছিলো ০.৭ শতাংশ, তাদের মধ্যে নির্বাচিত হয়েছিলেন ২ জন। সর্বশেষ ২০১৪ সালের নির্বাচনে নারী প্রার্থীর হার ছিলো ৫.৩ শতাংশ। আর সংসদে যাওয়ার টিকিট পান ১৮ জন। আসছে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী নারীরা বলছেন, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অর্থনৈতিক দুর্বলতা, পুরুষতান্ত্রিক মনোভাব এবং পেশীশক্তির অভাব দেখিয়ে দলগুলো তাদের মনোনয়ন দিতে চায় না। নারীদের মনোনয়নের ক্ষেত্রে সংবিধানে থাকা সংরক্ষিত নারী আসনের বিধানটিও বাধা হয়ে দাঁড়ায় বলে মনে করেন তারা। নির্বাচন বিশ্লেষক আব্দুল আলীম বলছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে নারীরা অনেক এগিয়েছেন। তবে মনোনয়নের ক্ষেত্রে নীতি নির্ধারকদের মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে বলে মনে করেন তিনি। তারপরেও সময়ের পরিক্রমায় সব বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যাবে নারী-প্রত্যাশা এই বিশ্লেষকের।

অন্যান্য সংবাদ