প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নির্বাচনকে ঘিরে অবস্থান পোক্ত করার দৌড়ে ধর্মভিত্তিক দলগুলো

সাজিয়া আক্তার : কেউ মহাজোটে, কেউ বা ঐক্যফ্রন্টে; নির্বাচনকে ঘিরে তাদের অবস্থান পোক্ত করার দৌড়ে ধর্মভিত্তিক দলগুলো। শরিক হিসেবে দর-কষাকষিতে এগিয়ে থাকতে জয়ের অন্য দলগুলোকেও তারা টানছে নিজেদের মোর্চায়। তবে, এখন পর্যন্ত নৌকা প্রতিকের পেছনেই সংগঠিত বেশিরভাগ ইসলামী দল। সূত্র : এটিএন নিউজ

২০১৩ সালের ৫ মে অবরোধের নামে ঢাকায় শোডাউনের সুযোগ নেয় হেফাজতে ইসলামে সংগঠিত হওয়া ইসলামী দলগুলো। অরাজনৈতিক প্লাটফর্ম বললেও এ আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া সবাই কোনো না কোনো ধর্মভিত্তিক দলের নেতা। যাদের বেশিরভাগেই রয়েছেন, ইসলামী ঐক্যজোটে।

৫ মে পরবর্তী মামলা এবং হয়রানির মুখে ক্ষমতাসীনের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে এসব দলের। এর পরেই মামলা থেকে বাঁচতে ২০ দলীয় জোট ছেড়ে ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে চলার নীতি নেয় ইসলামী ঐক্যজোট।

এক সময় মহাজোটের এই কঠোর বিরোধীরাই এবার নৌকার বৈতরণী পার হওয়ার চেষ্টায়।

ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেছেন, বিদেশি বন্ধুরা আমাদের কারণে অসন্তুষ্ট ছিলেন, এটা যেনো দূর হয়ে যায় এই কারণে আমরা ইসলামী ঐক্যজোট ২০ দলীয় জোট থেকে বের হয়ে এসেছি।

বিএনপি জোটে এখনো যেসব ঐক্যজোট আছে, সাবেক বন্ধুদের এমন আচরণ নীতির খেলাপ বলেই দেখছেন তারা। ঐক্যফ্রন্টেই এখনো নিজেদের ঈর্ষা আদায়ের হিসেব কষছেন তারা।

সাম্প্রতিক স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আপাতত কোনো জোটেই নেই। নির্বাচন সুষ্ঠু হয়া নিয়েও শঙ্কায় আছে দলটির।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব মওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, অনেক রাজনৈতিক দল আমাদের প্রস্তাব দিয়েছে তাদের দলে যাবার জন্য। কিন্তু এখন যে জোট-মহাজোট হচ্ছে তাতে কোনো আদর্শের বালাই নেই। বিপরীতমুখী আদর্শ দুটি দল তারা ঐক্য করছে। কেনো করছে? যেভাবেই হোক তাদের ক্ষমতায় যেতে হবে।

জামায়াতে ইসলামী নিবন্ধন হারানোর পর দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত ইসলামী দলের সংখ্যা ১২ টি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তাদের প্রাপ্ত ভোট ছিলো ৬.১৫ শতাংশ বা ৪০ লাখ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত