প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দেশের প্রথম বিচারবহির্ভূত হত্যার বিরোধিতা করেছিলেন মওলানা ভাসানী : জোনায়েদ সাকি

রফিক আহমেদ : গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, দেশের জন্মের পর পরই প্রথম যে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হয়, মওলানা ভাসানী তার বিরোধিতা করেছিলেন। দেশের লুটপাটের বিরুদ্ধে যে পত্রিকাটি সর্বপ্রথম সোচ্চার ছিল সেই মওলানা ভাসানীর ‘হক কথা’ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

শনিবার সকাল ১০টায় হাতিরপুল কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ভাসানীর অস্থায়ী প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর সময় বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে দলের উদ্যোগে ‘আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী বলেন, মওলানা ভাসানী যেসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন, গণমানুষের মুক্তির জন্য লড়াই করেছেন সেই সব ক্ষেত্র এখনও আমাদের জন্য প্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বপূর্ণ। বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো একদিকে তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির ফলে পিছিয়ে পড়ে; তারা তাদের সব গণসংগঠন বিলুপ্ত করে দেয়, নির্বাচনে অংশ নেয় না এবং মওলানা ভাসানীকেও নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগও রাজনীতিতে একক প্রধান ধারা হিসেবে আর্বির্ভূত হয় এবং পরবর্তীকালে মুক্তিযুদ্ধের একক দাবিদার হয়ে ওঠে। কিন্তু এদেশের মুক্তিযুদ্ধে বামপন্থী কমিউনিস্টসহ প্রগতিশীল সকল শক্তি অংশগ্রহণ করে। যুদ্ধের শুরু থেকেই এখানে মওলানা ভাসানীর অনুসারী বামপন্থী, কমিউনিস্টরা পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন, মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত করেন।

গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আবুল হাসান রুবেল বলেন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং একাত্তর সালে মওলানা ভাসানী কৃষক, মজদুর, শ্রমিকের সরকার প্রতিষ্ঠার ডাক দিয়েছিলেন। আজ আমরা যে প্রাণ প্রকৃতির জন্য আন্দোলন করছি তা মওলানা ভাসানীই শুরু করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশের নদী-জমিসহ সকল সৃষ্টি তথা প্রাণকে বাঁচানোর জন্য ফারাক্কা অভিমুখে লংমার্চ করেন।

প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য দেওয়ান আবদুর রশীদ নিলু, তাসলিমা আখ্তার, কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূঁইয়া, আবুু বকর রিপন ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য দীপক রায় প্রমুখ।

সম্পাদনা- মাহবুব আলম

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত