প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পর্যটকদের ভোগান্তি
পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় নেই বাস টার্মিনাল

উত্তম কুমার হাওলাদার, কলাপাড়া(পটুয়াখালী) : পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় রাস্তার উপরে যত্রতত্র পার্কিং করা হচ্ছে পর্যটকবাহী পরিবহন। নির্দিষ্ট বাস টার্মিনাল না থাকায় প্রতিদিন সৈকতে যাওয়ার রাস্তা জুড়ে এসব পর্যটকবাহী বাস ও দুরপাল্লার পরিবহন এলোমেলো ভাবে পার্কিং করা হচ্ছে। এমনকি সড়কের মাঝে গাড়ি ঘুরানোর ফলে পর্যটকদের স্বাভাবিক চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।

এ কারনে যে কোন সময় দুর্ঘটনার শংঙ্কায় থাকে স্থানীয়সহ পর্যটকরা। ওইসব পরিবহন থেকে পর্যটকরা তাড়াহুড়া করে নামতে গিয়ে প্রায়ই ছোটখাট দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে বলে এমন আভিযোগ রয়েছে ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুধু পর্যটন মৌসুম নয়, এখন সারা বছরই পর্যটকদের পদচারনায় মুখরিত থাকে কুয়াকাটা সৈকত। কিন্তু এখানে নেই নির্দিষ্ট বাস টার্মিনাল। রাস্তার মাঝে এলোপাথারি বাস পার্কিং করে রাখা হচ্ছে। এছাড়া সৈকতে নামার সড়কের উপরেই কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টে সংলগ্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন পরিবহনের কাউন্টার। এসব টিকিট কাউন্টার থেকে যাত্রীদের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য হাক-ডাক, অনবরত হর্ন বাজানোর কারনে শব্দ দূষনে চরম বিরক্তিতে ফেলেছে পর্যটকদের। জরুরী ভিক্তিতে কুয়াকাটায় বাস টার্মিনাল নির্মানের দাবী করেছেন স্থানীয় ও পর্যটকরা।

পর্যটক শামছুল হক পিন্স জানান, পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় আমরা ঘুরতে এসেছি। কিন্তু রাস্তার উপরেই আমাদের বাস থামালো। ওখান থেকে হোটেলে যেতে হয়েছে। তবে বাস স্ট্যান্ড থাকলে আমদের অনেকটা সেইভ হতো বলে তিনি জানান।

অপর পর্যটক ফরাদ আহসান জানান, এভাবে রাস্তার উপর পরিবহন থামানো খুবই বিপদজ্জনক। এতে অনেক ঝুঁকি থাকে। আমাদেরকে বাস থেকে ঝুঁকি নিয়ে নামতে হয়েছে। এখানে নির্দষ্ট বাস স্ট্যান্ড দরকার বলে তিনি মনে করেছেন।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট সেন্টারে পরিচালক রুমান ইমতিয়াজ তুষার জানান, জিরো পয়েন্টে যত্রতত্র ভাবে গাড়ি রাখার কারনে প্রতিনিয়ত পর্যটকদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। এখানে নির্দিষ্ট বাস টার্মিনাল দরকার বলে তিনি দাবী করেন।

কুয়াকাটা পৌর মেয়র আব্দুল বারেক মোল্লা জানান, বাস টার্মিনালের জন্য ২৩ কোটি টাকা বরাদ্ধ পেয়েছি। জমি অধিগ্রহন করা হলেই বাস স্টান্ডের কাজ শুরু হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ