প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শাশুড়িকে হত্যার জন্য বাস চালকের সঙ্গে ১০ হাজার টাকায় চুক্তি, গ্রেফতার ৩

মাসুদ আলম : আশুলিয়ায় বৃদ্ধ বাবাকে বাস থেকে ফেলে দিয়ে মেয়ে জরিনা খাতুনকে (৪৫) হত্যার ঘটনায় মেয়ের জামাইসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। হত্যার অন্যতম পরিকল্পনাকারী জরিনার মেয়ে জামাই নূর ইসলাম। পারিবারিক বিরোধ থেকে হত্যাকান্ডটি সংঘটিত হয়।

শনিবার পিবিআই সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সংস্থাটির প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার। গত শুক্রবার রাতে আশুলিয়া থেকে হত্যায় জড়িত নুর ইসলাম,তার মা আমেনা বেগম ও মামা স্বপনকে গ্রেফতার করা হয়। বাসটিও জব্দ করা হয়।

ডিআইজি বলেন, জরিনা হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার বাদী ছিলেন নূর ইসলাম। নূর ইসলাম ও রোজিনার বিয়ের ঘটক ছিল জরিনার বিয়াই স্বপন। বিয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগেই থাকতো। এই বিবাদ মেটাতে প্রায় জরিনা আশুলিয়ায় যেতেন। সম্প্রতি কলহ প্রকট আকার ধারণ করে। এজন্য নূর ইসলাম ও তার মা বিষয়টি নিয়ে স্বপনের সঙ্গে আলোচনা করে। তারা পরিকল্পনা করে জরিনাকে এমন শিক্ষা দিতে হবে যেন সে আর তাদের বাড়িতে না আসে। স্বপন ১০ হাজার টাকার চুক্তিতে একটি মিনিবাস ও বাসের চালক কন্ট্রাক্টর ও দুই হেলপারকে ভাড়া করে।

ডিআইজি আরও বলেন, ৯ নভেম্বর দুপুরে গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ থেকে মেয়ের বাড়ি আশুলিয়ায় আসেন জরিনা ও তার বাবা আকবর আলী মন্ডল। খাওয়া দাওয়া শেষ করে বিকেলে তারা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। বাসটি আগে থেকেই আশুলিয়ার শিমুলতলী বাসস্ট্যান্ডে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। টাঙ্গাইলগামী ওই মিনিবাসটিতে তাদের তুলে দেয় স্বপন। বাসের ওঠার কিছুক্ষণ পর হেলপার ও সুপারভাইজাররা আকবর আলীকে মারধর করে আশুলিয়ার মরাগং এলাকায় নামিয়ে দেয়। আকবর বিষয়টি নূর ইসলাসকে জানালে সে পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ৫শ’ গজ দূর থেকে জরিনার মরদেহ উদ্ধার করে। সরাসরি হত্যায় অংশ নেওয়া ৪ জনকে গ্রেফতার করা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরোধ তাকে হত্যা করা হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ